
নিজস্ব সংবাদদাতা,পশ্চিম বর্ধমান,১৬ ই অক্টোবর: বিগত বছরগুলোর মতো এবছরও রানীগঞ্জের ষোলআনা দুর্গা পুজো পালিত হল রানিগঞ্জ শহরের বুকে ১২৩ বছরের প্রাচীন এই পুজো ব্যবসায়ীরা শুরু করেন মাতৃবন্দনা লক্ষ্যে সেই থেকেই চলে আসছে মায়ের বিসর্জন পর্ব সম্পন্ন হবে লক্ষ্মী পুজোর পরে বুধবার পড়ে সেই বুধবার এই। স্থানীয় এলাকার ব্যবসায়ীরা তাদের ব্যবসায়িক বিষয়গুলিকে নজরে রেখে বৃহস্পতিবার এর বাজার বন্ধের বিষয়টিকেও লক্ষ্য রেখে এই ধরনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানিয়েছেন উদ্যোক্তারা। সেই মতই বিগত বছর গুলির মতো এবারও লক্ষ্মী পূজার পরের বুধবারই বিসর্জন পর্বের ব্যাপক আয়োজন লক্ষ্য করা গেল খনি অঞ্চলের শহর রানীগঞ্জে । এদিন দুপুর থেকেই দেবী দুর্গাকে বিদায় জানানোর লক্ষ্যে জমায়েত হয় হাজারো ধর্মপ্রাণ। সন্ধ্যে নামার সাথে সাথেই রাস্তা দখলে চলে যায় পুজো উদ্যোক্তাদের শহরের চারপাশে হাজার হাজার মানুষ বিভিন্ন প্রান্ত থেকে তোমাকে শেষ দেখা দেখতে হাজির হন শহরের বুকে। অন্যান্য অংশে দুর্গাপুজো বিজয়া পর্ব আগেই সম্পন্ন হলেও রানীগঞ্জের আজি সম্পন্ন হয় এই দূর্গাপুজা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে। কথিত আছে দেবী দুর্গার শরীরের মধ্যে এক বৃহৎ প্রজাপতি পরে অষ্টমীর দিন এই বিষয় লক্ষ্য করে পুরোহিত মশাইয় নিদান দেন দেবী দুর্গার কাছে প্রার্থনা লক্ষ্যে তাকে প্রজাপতি দান করতে হবে সে মতোই সংগঠনের সদস্যরা সোনার প্রজাপতি দান করেন দেবী দুর্গাকে সেই সময় থেকেই রানীগঞ্জের ষোলআনা দুর্গা প্রজাপতি দুর্গা নামে পরিচিত।



















