২০ ডিসেম্বর, সময়ের সাথে সাথে মানুষ ক্রমশ নিঃসঙ্গ হয়ে পড়ছে, আর তারই প্রমান মিলেছে এক গবেষণায়।জানা গিয়েছে আত্মহত্যার সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে, জীবনের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে মানুষ আত্মহত্যার পথই বেছে নিচ্ছে।আর সবথেকে বেশি এই পরিমান বেড়েছে পর্যটন রাজ্য কেরলে। সেখানে দেখা গিয়েছে, এপ্রিল থেকে নভেম্বর মাস পর্যন্ত কেরলে মোট ১৫ জন মহিলা গর্ভাবস্থায় আত্মহত্যা করেছেন।এই পরিসংখ্যান সামনে আসায় চিন্তায় পড়েছে কেরলের সরকার।
গবেষণায় জানা গিয়েছে, গত ৮ মাসের মধ্যে প্রতি মাসে দু’জন করে গর্ভবতী মহিলা আত্মহত্যা করেছেন।এরই জেরে এবার শুরু হল আম্মা মানস প্রকল্প। যার প্রধান লক্ষ্য গর্ভাবস্থায় গর্ভবতী মহিলাকে আত্মহত্যা থেকে রক্ষা করা। সঠিক সময়ের আগে ও অবিবাহিত অবস্থায় গর্ভবতী হওয়ার কারণেই বাড়ছে আত্মহত্যার সম্ভাবনা, এমনটাই মনে করেছেন কেরলের ডাক্তার। সঠিক সময়ের আগে গর্ভবতী হলে বাচ্চার সাথে মায়েরও দেখা দিতে পারে সমস্যা।গর্ভাবস্থায় মায়ের বিষণ্ণতা এবং উদ্বেগজনিত রোগ থাকলে প্রিম্যাচিউর বেবি অর্থাৎ নির্দিষ্ট সময়ের আগেই সন্তান জন্ম নিতে পারে যা পরবর্তীকালে ডায়াবেটিস, উচ্চরক্তচাপ, হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। অনেক ক্ষেত্রে এই রোগটি এতটা তীব্র হয় যে, মা আত্মহত্যা করে ফেলেন অথবা করার চেষ্টা করেন।আবার মা নিজের সন্তানকেই ক্ষতি করার চেষ্টা করেন।এই ঘটনা আটকানোর জন্য আগামী ২৯ ডিসেম্বর কনফিডেনশিয়াল রিভিউ অফ ম্যাটারনাল ডেথস কমিটির বৈঠক হবে যেখানে আত্মহত্যা কমিয়ে আনার উপায় বিশ্লেষণ হবে বলে জানা গিয়েছে।



















