নিজস্ব সংবাদদাতা, বীরভূম, ১৪ ফেব্রুয়ারি, স্ত্রীকে গলার নলি কেটে খুন করার অভিযোগ উঠলো স্বামীর বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে বীরভূমের মল্লারপুর থানার বাহিনা গ্রামের রথতলাপাড়া। মৃত গৃহবধূর নাম পিংকি দাস (বয়স ৩০ বছর)। ৬ বছরের বাচ্চাকে নিয়ে তিনি থাকতেন তার বাপের বাড়িতে। গতকাল গভীর রাতে তার বাড়িতে এসে তার স্বামী ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলার নলি কেটে খুন করে বলে অভিযোগ। অভিযুক্ত স্বামী পল্টু দাস মল্লারপুর থানার আড়াল গ্রামের বাসিন্দা।
প্রতিবেশীদের থেকে জানা যায়, চার বছর ধরে পল্টু দাসের বিরুদ্ধে বধূ নির্যাতনের মামলা করেছিলেন পিঙ্কি দাস। মামলা চলছে রামপুরহাট আদালতে। সেই মামলা প্রত্যাহার করার জন্য প্রায়ই চাপ দিত পল্টু। পরে আবার পল্টু দাস তার স্ত্রীর সাথে সম্পর্ক ঠিক করার চেষ্টা করেন। সেই সুবাদে মাঝে মাঝে রাতে বাড়িতে আসতেন পল্টু। অবশ্য রাতেই আবার চলে যেতেন।
পল্টু দাসের বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ, পাড়া প্রতিবেশী কারোর সাথে মেলামেশা করতে দিতেন না পিংকিকে। এরপর গত রাতেই এমন নৃশংস ঘটনা ঘটে। ঘটনার বিষয়ে পিংকির ৬ বছরের সন্তানের বক্তব্য অনুযায়ী জানা যায়, গতরাতে একজন ব্যক্তি এসেছিলেন। তারপর পিংকিকে পাশের ঘরে নিয়ে গিয়ে গলার নলি কেটে খুন করে বলে অভিযোগ। আর এমন ঘটনার পর থেকেই পলাতক পিংকি দাসের স্বামী পল্টু দাস।
এরপর আজ সকালে মল্লারপুর থানার পুলিশ পিঙ্কি দাসের মৃতদেহ উদ্ধার করে রামপুরহাট মেডিকেল কলেজে পাঠায় ময়নাতদন্তের জন্য। পাশাপাশি এই খুনের ঘটনার পিছনে কি হয়েছে ও কারা রয়েছেন তা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।



















