
নিজস্ব সংবাদদাতা, উত্তর ২৪ পরগণা, ১৫ ফেব্রুয়ারি, গতবছর ১৯ সে নভেম্বরে বিরা স্টেশন আম্বেদকর নগর এলাকায় নিজের বাড়িতেই দা দিয়ে কুপিয়ে খুন করা হয় (বছর ৬৬) বৃদ্ধাপুষ্প রানী ঘোষকে। তার গলার ৩৬ গ্রামে একটি সোনার চেন খোওয়া যায়। পাশাপাশি ১৯ নভেম্বরই হাবড়া থানার অন্তর্গত লক্ষ্মীপুর হাটখোলা এলাকায় রমেশ কর্মকার নামে এক সোনার দোকানদার খুন হন।দোকানের মধ্যে থেকে দিন-দুপুরে রক্তাক্ত অবস্থায় মৃতদেহ উদ্ধার করে হাবড়া থানা।দুটি ঘটনাই একমাত্র অভিযুক্ত শুকুর আলী মন্ডল নামে বছর বাইশের যুবককে কয়েকদিন আগে আগেই গ্রেফতার করে হাবড়া থানা।মূল্যত তরল মাদক পাচারের অভিযোগে ওই যুবককে গ্রেফতার করা হয়।পরে কলকাতা পুলিশের একটি সূত্র থেকে জানতে পারে অভিযুক্ত শুকুর আলী এই দুই খুনের ঘটনার অভিযুক্ত।
সেই মতই গত বুধবার ধৃতকে বারাসত আদালত মারফত হাবড়া থানার পুলিশ ১০ দিনের পুলিশ হেফাজতে নেয়।এবং অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদের পর সে সমস্ত ঘটনা স্বীকার করে। জানা যায়, বছর বাইশের শুকুর আলীর বাড়ি দত্তপুকুর থানার অন্তর্গত বিড়া মেঠোপাড়া এলাকায়।বৃদ্ধা পুষ্পরানি ঘোষকে তার গলার মূল্যবান সোনার চেন ছিনতাই করে মূলত নেশার টাকা জোগাড় করার জন্য।ওই চেন বিক্রি করতে আসে গতবছর নভেম্বরের ১৯ তারিখ লক্ষ্মীপুর হাটখোলা এলাকার রমেশ কর্মকারের কাছে। মূল্যবান সোনার চেন দেখে সন্দেহ হয় রমেশ বাবুর।তিনি দোকানে বসতে বলে আশেপাশের দোকানদার পুরো বিষয়টি জানাতে চেষ্টা করে। সোনার চেন কি চুরি করা বুঝতে পারে তখন অভিযুক্তকে চেপে ধরলে।অভিযুক্ত আচমকাই দোকানে থাকা লোহার রড দিয়ে রমেশ কর্মকারের মাথায় আঘাত করে।রক্তাক্ত অবস্থায় রমেশ দোকানের ভেতরে লুটিয়ে পড়লে ফোনের চার্জারের তার দিয়ে তার গলায় পেচিয়ে তাকে খুন করে অভিযুক্ত।গোটা ঘটনার কথা কলকাতার চিতপুর এলাকায় নেশা করার সময় কিছুদিন আগে অন্য এক মাদকাসক্ত ব্যক্তিকে শুকুর আলি নিজেই জানায়। সম্প্রতি সেই ব্যক্তি কলকাতা পুলিশের হাতে ধরা পড়ে।সে পুলিশকে শুকুর আলীর বিষয়ে জানায়। এভাবেই দুটো খুনের কিনারায় একইসঙ্গে করতে সক্ষম হয় হাবড়া থানা।



















