
নিজস্ব সংবাদদাতা, উত্তর ২৪ পরগণা, ৭ এপ্রিল, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সর্বাত্মক ব্যবস্থা করেছেন কিন্তু আজ কিছু মানুষ ত্রাণ পাচ্ছে না প্রশ্ন উঠছে কাউন্সিলর এর ভূমিকা নিয়ে।সারা বিশ্ব যখন করোনার গ্রাসে জর্জরিত, তার উপর সারাদেশ জুড়ে লকডাউন। সরকারের নির্দেশে যেখানে সমগ্ৰ মানুষের ঘর থেকে বেরোনো বারণ, তখন দরিদ্ররা দিন গুজরান করতে গিয়ে পড়ছে বিপাকে। যখন সরকারের একগুচ্ছ প্রকল্পের আওতায় দরিদ্ররা কিছুটা স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেছে, এছাড়াও চারিদিকের নানা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন দরিদ্রদের হাতে দৈনিক রসদ তুলে দেওয়ার জন্য। কিন্তু বসিরহাট পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ডের ইছামতী ব্রীজের নীচে প্রায় ৬৬ টি পরিবারের প্রায় ১৩৫ জন মানুষের ক্ষেত্রে তার উলটপুরাণ দেখা গেল।
এই পরিবারগুলি এলাকার রেশন দোকানে গেলে তাদেরকে সাধারণ সময়ের নির্ধারিত রসদ পাচ্ছেন, কিন্তু যেখানে এই লকডাউনের জেরে যে নির্ধারিত রেশন পাওয়ার কথা, তা তারা পাচ্ছেন না বলে দাবী পরিবারগুলির। এছাড়াও যেখানে পৌরসভার ছ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলররা রঞ্জিতা মৃধা যোগাযোগ করলে তিনি সামনে আসতে চাননি ও পঞ্চায়েতের ক্ষেত্রে সদস্যরা গরিবদের পাশে দাঁড়াচ্ছেন, সেখানে এই এলাকায় ওয়ার্ড কাউন্সিলরকেও দেখা যায়নি বলে দাবী জানাচ্ছেন তারা। এলাকাবাসীদের দাবী, অবিলম্বে যদি তাদের এই দুরবস্থার সুরাহা না হয়, তবে তারা বৃহত্তর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবে।



















