বাড়িতে আইসোলেশন থাকাকালীন কী কী সাবধানতা অবলম্বন করবেন? জেনে নিন

বাড়িতে আইসোলেশন থাকাকালীন কী কী সাবধানতা অবলম্বন করবেন? জেনে নিন

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram

২৯ এপ্রিল, দিন দিন ক্রমশ বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা।এ পরিস্থিতিতে শরীরে সংক্রমণের লক্ষণ দেখা দিলে বা সন্দেহ হলে প্রথমেই তাকে আশপাশের লোকজন থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করে ফেলতে হবে।কোভিড-১৯ -এর প্রথম লক্ষণ হলো জ্বর এবং শুকনো কাশি।আর এই লক্ষণ দেখা দিলে প্রয়োজনীয় নিয়ম মেনে বাড়িতেই আইসোলেশনে থাকতে পারবেন তাঁরা।কেন্দ্রীয় সরকার এবং তাদের পরামর্শে রাজ্য সরকার মঙ্গলবার স্পষ্ট ভাবে জানিয়েছে, মৃদু সংক্রমণের ক্ষেত্রে বাড়িতে থেকেও কোভিড-১৯ রোগী চিকিৎসা করাতে পারবেন।শুধু তাই নয়, সংক্রমিত ব্যক্তির সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিকেও আলাদা করে সরকারি আইসোলেশন সেন্টারে যেতে হবে না।এ পরিস্থিতিতে বাড়িতে কীভাবে সাবধানতা অবলম্বন করা যাবে, সেই গাইডলাইনে অনুযায়ী দেখে নেওয়া যাক:-

কী কী লক্ষণ দেখলে জরুরি ভিত্তিতে চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে—

১।একটানা বুকে যন্ত্রণা বা চাপ অনুভূত হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন

২।শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে

৩।আচমকা মানসিক অসংলগ্নতা দেখা দিলে অথবা ঝিমুনি ভাব এলে

৪। ঠোঁটে বা মুখের রং ঈষৎ নীলাভ ছাপ তৈরি হলে অথবা ত্বকে বিবর্ণতা দেখা দিলে

এরূপ পরিস্থিতিতে চিকিৎসক পরীক্ষা করে সিদ্ধান্ত নেবেন, যে উক্ত ব্যক্তি বাড়িতে আইসোলেশনে থাকতে পারবে কি না!

হোম কোয়ারেন্টাইনের জন্য ঘরের পরিস্থিতিটি কেমন থাকতে হবে?

১।যে ঘরে কোয়ারেন্টাইনে থাকবেন সেই ঘরে অন্যরা যেন প্রবেশ না করে সেদিকে নজর দিতে হবে।

২।পরিবারে ৩-৪ জন সদস্য থাকলে আপনি হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকতে পারেন।

৩।যারা আপনার জন্য খাবার বা জিনিসপত্র নিয়ে আসবে, তাদের আপনার ঘরের দরজার বাইরে সেগুলো রেখে যেতে হবে।

৪। যে ঘরে থাকবেন সেখানে যেন জানালা থাকে, ভালোভাবে বাতাস চলাচল করতে পারে।

বাড়িতে আইসোলেশনে থাকাকালীন রোগীকে যে যে সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে—

১। সর্বদা ত্রি-স্তরীয় মেডিক্যাল মাস্ক পরে থাকতে হবে। মাস্ক বদলাতে হবে ৮ ঘন্টা পর পর। কোনও ভাবে মাস্ক ভিজে গেলে বা নোংরা হয়ে গেলেও পাল্টে ফেলতে হবে।

২।রোগীর বিশ্রামের প্রয়োজন। সেই সঙ্গে প্রচুর জল ও স্বাস্থ্যকর পানীয় খেতে হবে।

৩।শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা দেখা দিলে চিকিৎসককে খবর দিতে হবে।সাথে হাসপাতালে নিযুক্ত নার্সকে দেখাশোনার জন্য রাখতে হবে।

৪। ব্যবহারযোগ্য মাস্কটি ১ শতাংশ সোডিয়াম হাইপো ক্লোরাইট দিয়ে জীবাণুমুক্ত করে নিতে হবে।

৫।নির্দিষ্ট একটি ঘরেই থাকতে হবে রোগীকে, বাড়ির অন্য সদস্যরা রোগীর ধারেকাছেও ঘেঁষতে পারবেন না। বিশেষ করে বয়স্ক লোকজন এবং যাঁদের উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ এবং কিডনির সমস্যা রয়েছে, তাঁরাও ঘেঁষতে পারবেন না ওই ঘরের ধারেকাছে।

৬।রোজ দেহের তাপমাত্রা কতটা বাড়ছে বা কমছে, রোগীকে নিজেকেই তার হিসাব রাখতে হবে।

৭।নিজেকে পরিষ্কার রাখতে হবে। ঘন ঘন সাবান ও জল দিয়ে ৪০ সেকেন্ড ধরে হাত ধুতে হবে।

৮। চিকিৎসকের পরামর্শ মতো চলতে হবে রোগীকে। নিয়মিত ওষুধ খেতে হবে।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top