কলকাতা, ১১ মার্চ, ২০২১:সরকার স্বল্প মূল্যে পরিবেশ বান্ধব জ্বালানী সব ভারতবাসীকে ব্যবহারে উৎসাহিত করায় রান্নার গ্যাস প্রত্যেক দেশবাসীর রান্নাঘরে জায়গা নিতে চলেছে। সমাজের দরিদ্রতম মানুষের কাছে জ্বালানী পৌঁছে দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন পূরণে পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক দেশজুড়ে পিএমইউওয়াই প্রকল্পের আওতায় ৮ কোটি গ্যাসের সংযোগ দিয়েছে।

পিএমইউওয়াই-এর গ্রাহকদের মধ্যে রান্নার গ্যাসের ব্যবহার বৃদ্ধি পাওয়ায় বর্তমান অর্থবর্ষের প্রথম ত্রৈমাসিকে ২৩.২ শতাংশ এলপিজি গ্যাসের ব্যবহার বেড়েছে। কোভিডের সময় বর্তমান অর্থ বর্ষের পিএমইউওয়াই উপভোক্তাদের বিনামূল্যে ৩টি গ্যাস সিলিন্ডার দেওয়া হয়েছে। এই প্রসঙ্গে উল্লেখযোগ্য ২০২০র ডিসেম্বর থেকে ২০২১এর ফেব্রুয়ারির মধ্যে দেশজুড়ে রান্নার গ্যাসের ব্যবহার ৭.৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। পিএমইউওয়াই গ্রাহকদের ১৯.৫ শতাংশ বেশি গ্যাসের সিলিন্ডার দেওয়া হয়েছে। লকডাউনের সময় প্রান্তিক মানুষরা যাতে বিনামূল্যে ৩টি গ্যাস সিলিন্ডার পান তার জন্য ৯৬৭০ কোটি টাকা তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরাসরি পাঠানো হয়েছে। প্রসঙ্গত উল্লেখযোগ্য ২০১৪ সালে ভারতে রান্নার গ্যাসের ব্যবহার ছিল মাত্র ৫৫ শতাংশ বাড়িতে। ১০ই মার্চের হিসেব অনুযায়ী এই পরিমান বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ৯৯ শতাংশ। এরফলে সুস্বাস্থ্য ও স্বচ্ছ পরিবেশের জন্য ইতিবাচক আচরণগত পরিবর্তন নজরে এসেছে। প্রায় প্রত্যেক ভারতীয় পরিবারে এলপিজি রান্নায় ব্যবহৃত জ্বালানী হিসেবে অগ্রাধিকার পাচ্ছে। এই প্রসঙ্গে উল্লেখযোগ্য যে প্রতি কেজি হিসেবে জ্বালানীর কাঠ সস্তা হলেও সার্বিকভাবে অর্থনৈতিক জ্বালানী হিসেবে দীর্ঘমেয়াদে এলপিজি রান্নার গ্যাস অনেক বেশি ব্যয় সাশ্রয়ী। জ্বালানীর দক্ষতার বিচারে কাঠ সহ অন্যান্য চিরাচরিত জ্বালানীর চাইতে এলপিজি সস্তা। স্বাস্থ্য এবং অর্থ উভয় দিক থেকেই এলপিজি-র ব্যবহার অনেক সাশ্রয়ী। পিএমইউওয়াই-এর উপভোক্তারা যখন এলপিজি ব্যবহার করেন তখন জ্বালানীর কাঠ সংগ্রহের মতো বড় কাজের হাত থেকে তারা রেহাই পান। এর ফলে যে সময় বাঁচে সেই সময়টিকে তারা অন্যভাবে কাজে লাগাতে পারেন। ফলস্বরূপ দেশের অর্থনীতিতে এর ইতিবাচক প্রভাব পরে।



















