নিউজ ডেস্ক ২৫ মার্চ ২০২১:রাজনীতিতে প্রবেশ করার পর নানান কারণ দেখিয়ে বহুবারই দলবদল করেছেন তিনি।তবে বছর চারেক আগে মন্ত্রিত্বকালে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল তাকে।এরপরেও পরবর্তীতে তৃণমূলের দলীয় পতাকা হাতে তুলে নিয়ে তিনি জানান,”পুরনো দলেই তিনি ফিরছেন”।

ভরতপুর বিধানসভা কেন্দ্রে কালিঘাট থেকে ঘোষণা হয় হুমায়ুন কবিরের নাম। ব্যাপারটি মোটেই ভাল চোখে নেয়নি (আজহারউদ্দিন সিজার)।
ভরতপুর বিধানসভায় তৃণমূলের প্রার্থী হুমায়ুন কবিরের এর সমর্থনে কর্মীসভার আয়োজন করা হলো দুটি জায়গায় এবং অন্যটি উজুনিয়া আল-আমিন মিশনের মাঠে। সালার মহাজনপাড়া অনুষ্ঠান বাড়িতে উপস্থিত ছিলেন হুমায়ুন কবির। তবে ভরতপুরের ২ ব্লকের তিনজন সভাপতি ও ত্রিস্তরীয় নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে ডাকা কর্মী সভায় হাজির হলেন না প্রার্থী হুমায়ুন কবির। প্রার্থী না আসায় কার্যত বৈঠক বয়কট করলেন পঞ্চায়েত প্রধান জনপ্রতিনিধিরা।
দলীয় পতাকা ফ্লেক্সি প্রার্থীর নাম নিয়ে কিছু দূরে মাঠে জনপ্রতিনিধিদের ডেকে সভা করলেন আজহারউদ্দিন সিজার। দুই কিলোমিটার দূরত্বে যেন তৃণমূলের দুই মেরু। এত কিছুর পর আজ যেন সবকিছুর অবসান ঘটলো একই মঞ্চে।আজ ৬৯ ভরতপুর বিধানসভার ডাকে জননেতা হুমায়ুন কবিরের নেতৃত্বে একটি কর্মীসভার আয়োজন করা হয়।
যে সভাস্থলে তিনি প্রমাণ করে দিয়েছেন “একতাই বল”। এদিন তিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় প্রসঙ্গে বলেন, বাংলার মানুষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেই চান।পাশাপাশি এমন কোন পরিবার নেই যারা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর সাহায্য গ্রহণ করে না।
এদিন সবকিছু ভুলে সকলকে একসাথে থেকে মুখ্যমন্ত্রী কে জয়ী করতে সভার মানুষজনকে ভোট দান করতে আবেদন করেন। সভাশেষে মুখ্যমন্ত্রীর নামে জয়ধ্বনি করেন। ৬৯ ভরতপুর বিধানসভার তৃণমূল কংগ্রেসের মনোনীত প্রার্থী জননেতা হুমায়ুন কবির মহাশয় এর সভায় উপস্থিত ছিলেন ভরতপুর-১ও২ ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি নূর আলম ও আজহারউদ্দিন(সিজার) এবং স্থানীয় নেতৃত্বরা।



















