১৮ জুন, ২০২১ :যোগ সংক্রান্ত বিভিন্ন গবেষণায় অভিজ্ঞতাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়। ব্যাথার উপশম করার ক্ষেত্রে এবং জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। গবেষকরা ব্যাথার প্রাবল্য পরিমাপ করে এবং দেশের নমনীয়তা পরীক্ষা করে দেখেছেন, যোগাভ্যাসের মাধ্যমে ব্যাথার প্রশমন হয়, প্রাবল্য কমে এবং শিরদাড়ার নীচের অংশে পুরনো ব্যাথায় যাঁরা ভুগছেন, তাঁদের যোগাভ্যাসের মাধ্যমে সেই সমস্যা অনেকটাই দূর হয়।

শিরদাড়ার নীচের অংশে পুরনো ব্যাথা নিয়ে নতুন দিল্লির এইমস্-এ শারীরবিদ্যা দপ্তরের অতিরিক্ত অধ্যাপক ডঃ রেণু ভাটিয়া তিন বছর ধরে গবেষণা চালাচ্ছেন। ৫০ বছর বয়সী ১০০ জন রোগীর ওপর গবেষণা চালিয়ে দেখা গেছে যে, চার সপ্তাহ যোগাভ্যাসের পর কোল্ড পেইনের সমস্যা অনেকটাই কমেছে। কোয়ান্টিটেটিভ সেন্সারি টেস্টিং – এর মাধ্যমে দেখা গেছে রোগীদের করটিকোমোটর সক্রিয় হচ্ছে এবং শরীরের বিভিন্ন অংশে নমনীয়তা বৃদ্ধি পাচ্ছে।এইমস্ – এর রোগীদের উপর গবেষণা চালিয়ে দেখা গেছে যে, দীর্ঘদিন ধরে যোগাভ্যাস করলে ব্যাথার যেমন প্রশমন হয়, পাশাপাশি অন্যান্য নানারকমের সুফল পাওয়া যায়। এছাড়াও যোগাসনের প্রক্রিয়াটি স্বল্প মূল্যে করা সম্ভব।



















