
কৃষি আইনের বিরোধিতা থেকে শুরু করে একাধিক ইস্যুতে এদিন দিল্লির রাস্তায় নেমে প্রবল বিরোধিতার সুর চড়িয়ে দেন Rahul Gandhi । এগিন ১৫ টি বিরোধী দলের নেতাদের সঙ্গে নিয়ে দিল্লির রাজপথে Rahul Gandhi বিক্ষোভ মিছিলের নেতৃত্ব দেন। তিনি বলেন ,’ আমরা পেগাসাস ইস্যু, মুদ্রাস্ফীতি, কৃষি বিষয়গুলি। তবে আমাদের সংসদে কথা বলতে দেওয়া হয়নি। তাই আজ আমাদের এখানে আসতে হয়েছে কথা বলার জন্য।কারণ আমাদের সংসদে কথা বলতে দেওয়া হয়নি। এটা গণতন্ত্রণের হত্যা।
‘এদিকে, লোকসভা্র স্পিকার ওম বিড়লা রীতিমতো উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বাদল অধিবেশনে সঠিকভাবে সংসদ চলতে না পারা নিয়ে। এই পরিস্থিতিতে বহু আগেই বাদল অধিবেশনে বিরোধীদের ব্যবহার নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন মোদী। বিজেপির এক দলীয় সভায় মোদী এই ইস্যুতে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বিরোধীরা যে কত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সংসদে কাজ হতে দেয়নি, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই গোটা ঘটনার কথা সারা দেশে বিজেপি কর্মীরা যাতে ছড়িয়ে দেন , তার বন্দোবস্ত করে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। এদিকে, লোকসভার স্পিকার হিসাবে ওম বিড়লা জানিয়েছেন, সংসদের ওয়েলে নেমে প্ল্যাকার্ড হাতে স্লোগান তুলে কোনও প্রতিবাদ করা মোটেও ভালো কাজ নয়।
এই ইস্যুতে ওম বিড়লা কার্যত ক্ষোভ প্রকাশ করেন। উল্লেখ্য, আপাতত লোকসভার বাদল অধিবেশন মাত্র ২১ ঘণ্টা চলেছে। যার ফলে এর প্রডোক্টিভিটির মানদণ্ড যদি ধরা যায়, তাহলে দেখা যাবে মাত্র ২২ শতাংশ ফলপ্রসূ হয়েছে এই সংসদের চলা। এদিকে, সংসদে হামলা ইস্যুতে রাজ্যসভার চেয়ারম্য়ান বেঙ্কাইয়া নাইডু কার্যত ভেঙে পড়েন।
আর ও পড়ুন ; ২১এর ভোটে হেরেও TMC-কে টেক্কা দিলো CP(I)M, কীভাবে?
তিনি যখন কথা বলছিলেন সভায় ,তখনই বিরোধীরা স্লোগান দিতে শুরু করেন। এদিকে Rahul Gandhi এই ইস্যুতে বলেন, ‘ এই প্রথমবার সংসদে সাংসদরা আক্রান্ত হলেন। বাইরে থেকে লোক এনে সাংসদদের মারধর করা হয়েছে।



















