
একটানা কয়েক দিনের বৃষ্টি। তার জেরে পাহাড়ে ধস। পাথর ভেঙে নেমে এল রাস্তায় Bus. চাপা পড়ল একটি সরকারি Bus, একটি ট্রাক এবং গাড়ি। বুধবার দুপুরের ঘটনা। এখন পর্যন্ত ১৪ জনের দেহ উদ্ধার হয়েছে। মৃত্যুর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা।
বুধবার দুপুর ১২টা ৪৫। আচমকাই কিন্নরের রেকং পিও থেকে শিমলাগামী ৫ নম্বর জাতীয় সড়কে সড়কে নেমে আসে ধস। চৌরা গ্রামের কাছে। ঘটনাস্থলে তখন ছিল একটি সরকারি Bus, একটি ট্রাক এবং বেশ কয়েকটি গাড়ি। বাসটি রেকং পিও থেকে সিমলা হয়ে হরিদ্বার যাচ্ছিল। সেখানে সওয়ার ছিলেন ৪০ জন।
চালক মহিন্দর পল, কন্ডাকটর গুলাব সিং সহ ১৩ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাঁদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। একটি বোলেরো গাড়িও ধসে চাপা পড়েছিল। সেটির এখনও হদিশই মেলেনি। উদ্ধারকাজে নেমেছে ইন্দো–তিব্বত সীমান্ত বাহিনী (আইটিবিপি), রাজ্য এবং জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী।
আর ও পড়ুন ; Babul Supriya -কে নিয়ে জল্পনা চড়িয়ে দিলেন BJP নেতা Rudranil
মুখ্যমন্ত্রী জয়রাম ঠাকুর জানিয়েছেন, এখনও ৬০ জন ধবংসস্তূপে আটকে রয়েছেন বলে আশঙ্কা। প্রধানমন্ত্রী মোদি এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ফোন করে সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন। ঠাকুর জানিয়েছেন, সেনাও সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছে। উদ্ধারকাজে তাদের হেলিকপ্টার ব্যবহারের কথাও বলেছে।
গত মাসেও কিন্নরে রাস্তার ওপর বোল্ডার নেমে আসে। মারা যান ৯ জন পর্যটক। লাগাতার বৃষ্টির জেরে হিমাচলে ছোটখাট দুর্ঘটনা লেগেই রয়েছে।



















