ডুয়ার্সের রূপে মুগ্ধ বাংলাদেশের ডেপুটি হাই কমিশনার। ঝটিকা সফরে দুদিনের জন্য বেড়াতে এসে ,ডুয়ার্সের রূপে মুগ্ধ হয়ে গেলেন কলকাতায় নিযুক্ত বাংলাদেশের ডেপুটি হাই কমিশনার তৌফিক হাসান।
কোচবিহারের হালদিবাড়ি হয়ে যে রেলপথ বাংলাদেশের চিলাহাটি গিয়েছে ,সেই রেলপথ পরিদর্শন করার ফাঁকে , দুদিনের সফরে ডুয়ার্স বেড়াতে এসে আলিপুরদুয়ারের জয়ন্তিতে তার ডুয়ার্সে বেড়ানোর অভিজ্ঞতার কথা বললেন তৌফিক সাহেব।
বৃহস্পতিবার ওই রেলপথ পরিদর্শন করে তিনি সোজা মাদারিহাটের জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যানের মনোরম বন বাংলো হলঙে রাত কাটাতে আসেন। সেখানে রাত কাটিয়ে শুক্রবার সকালে মাদারিহাট রেল স্টেশন থেকে ট্যুরিস্ট স্পেশাল ট্রেনের ভিস্তাডোম কোচে চড়ে ডুয়ার্সের অনাবিল সৌন্দর্য উপভোগ করতে করতে রাজাভাতখাওয়া পৌঁছান।
আর ও পড়ুন জনপ্রিয় এই মডেল সোশ্যাল মিডিয়ায় তার অর্ধনগ্ন ছবি শেয়ার করেছেন
সেখান থেকে ডুয়ার্সের পর্যটনের রানী জায়ন্তিতে আসেন। শুক্রবার বিকেলে সেখান থেকে ভুটান ঘাট , ডিম সেতু, সন্তালা বাড়ি ও বক্সার জঙ্গল ঘুরে দেখেন ।জয়ন্তিতে তিনি ,জয়ন্তী নদীর তীরে অবস্থিত জনস্বাস্থ্য কারিগরি দফতরের সুদৃশ্য বাংলোতে রাত কাটান । জয়ন্তিতে তিনি আমাদের প্রতিনিধির সঙ্গে আলাপচারিতায় ডুয়ার্সের সৌন্দর্যের প্রশংসা ও পর্যটনের বিরাট সম্ভাবনার কথা বলেন।
পাশাপাশি এখানে পর্যটনের প্রসারে রাজ্যের ভূমিকাকে সাধুবাদ জানান। তিনি উত্তরবঙ্গের এই ঝটিকা সফরে এখানকার পরিকাঠামোগত ,বিশেষ করে পর্যটন শিল্পের উন্নয়ন নিয়ে রাজ্য সরকারের করা কাজের ভূয়সী প্রশংসা করেন। উত্তরবঙ্গের যোগাযোগ ব্যাবস্থা এবং রাস্তাঘাটের প্রশংসায় তিনি ছিলেন পঞ্চমুখ।
এই বিষয় নিয়ে তৌফিক হাসান বলেন,”এখানকার যোগাযোগ ব্যবস্থা ও রাস্তাঘাট খুব ভালো, যা এই ডুয়ার্সের পর্যটন প্রসারে খুব সহায়ক বলে আমি মনে করি। এখানকার সরকারি বাংলোগুলো অসাধারণ। জলদাপাড়া জঙ্গল ও জয়ন্তী নদীর তীরে থেকে দারুন সুন্দর অভিজ্ঞাত নিয়ে যাচ্ছি।সময় সুযোগ পেলে আবার আসবো”।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশের ডেপুটি হাই কমিশনার এখানে পর্যটনের প্রসারে রাজ্যের ভূমিকাকে সাধুবাদ জানান। তিনি উত্তরবঙ্গের এই ঝটিকা সফরে এখানকার পরিকাঠামোগত ,বিশেষ করে পর্যটন শিল্পের উন্নয়ন নিয়ে রাজ্য সরকারের করা কাজের ভূয়সী প্রশংসা করেন। উত্তরবঙ্গের যোগাযোগ ব্যাবস্থা এবং রাস্তাঘাটের প্রশংসায় তিনি ছিলেন পঞ্চমুখ। পাশাপাশি এখানে পর্যটনের প্রসারে রাজ্যের ভূমিকাকে সাধুবাদ জানান।
তিনি উত্তরবঙ্গের এই ঝটিকা সফরে এখানকার পরিকাঠামোগত ,বিশেষ করে পর্যটন শিল্পের উন্নয়ন নিয়ে রাজ্য সরকারের করা কাজের ভূয়সী প্রশংসা করেন। উত্তরবঙ্গের যোগাযোগ ব্যাবস্থা এবং রাস্তাঘাটের প্রশংসায় তিনি ছিলেন পঞ্চমুখ।



















