মনোনয়ন জমা করে কর্মীদের কি বার্তা দিলেন শোভন? বৃহস্পতিবার সকালে ব্যারাকপুরের প্রশাসনিক ভবনে এসে খড়দা বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনের জন্য মনোনয়নপত্র জমা দিলেন তৃণমূল প্রার্থী শোভন দেব চট্টোপাধ্যায়।
গত মার্চ-এপ্রিল মাসে রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনে খড়দা কেন্দ্রে তৃণমূলের প্রার্থী হন কাজল সিনহা। তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিজেপির প্রার্থী শীলভদ্র দত্ত। ওই নির্বাচনে ২৮ হাজারের বেশি ভোটে জয়ী হন কাজল সিনহা। যদিও ফল ঘোষণার আগেই করোনায় মৃত্যু হয় কাজল সিনহার। ফলে ওই কেন্দ্রে উপনির্বাচন জরুরি হয়ে পড়ে।
এদিকে মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে বেরিয়ে এসে সাংবাদিকদের শোভন দেব বলেন, “খড়দার মানুষকে বলতে চাই, আমি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রার্থী। তারা একবার তৃণমূলকে জিতিয়েছে। সম্প্রতি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও বাংলার মানুষ বিপুল ভোটে জিতিয়েছেন। মমতার এই উন্নয়নের গতিকে আরও ত্বরান্বিত করা ও খড়দার মানুষের সার্বিক উন্নয়ন করার চেষ্টা করব।
এছাড়াও বিজেপি প্রার্থী জয় সাহা নিয়ে তাঁর প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হলে তিনি কোনও রকম প্রতিহিংসামূলক প্রতিক্রিয়ার দিকে জাননি। তিনি মন্তব্য করেন, আমি তাঁকে একজন রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দেখব এবং তাদের তার সঙ্গে যে পর্যায়ে লড়াই করার দরকার আমি সেটা করব।
আর ও পড়ুন বিজেপির জাতীয় কার্যকরী সমিতির তালিকা থেকে বাদ পড়ল মেনকা-বরুণ
আমার দলের কর্মী-সমর্থকদের বলব, বিরোধীদের প্রচারে তারা যেনো কোনো রকম বাধা সৃষ্টি না করে।’ এদিকে বিধানসভার নির্বাচনে দক্ষিণ কলকাতার ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে জয়ী হন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, পরে কৃষি দপ্তরের মন্ত্রী হন তিনি।
কিন্তু নন্দীগ্রাম কেন্দ্রে পরাজিত দলের প্রার্থী মমতা ব্যানার্জির জয়ের পথ সুগম করতে ভবানীপুরে ইস্তফা দেন জয়ী তৃণমূল বিধায়ক শোভনদেব। সেই জায়গায় কয়েক দিন আগেই উপ-নির্বাচন হয় এবং প্রায় ৫৮ হাজারের বেশি ভোটে বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কার টিবরেওয়ালকে হারিয়ে জয়ী হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
উল্লেখ্য, মনোনয়ন জমা করে কর্মীদের কি বার্তা দিলেন শোভন? বৃহস্পতিবার সকালে ব্যারাকপুরের প্রশাসনিক ভবনে এসে খড়দা বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনের জন্য মনোনয়নপত্র জমা দিলেন তৃণমূল প্রার্থী শোভন দেব চট্টোপাধ্যায়। গত মার্চ-এপ্রিল মাসে রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনে খড়দা কেন্দ্রে তৃণমূলের প্রার্থী হন কাজল সিনহা। তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিজেপির প্রার্থী শীলভদ্র দত্ত। ওই নির্বাচনে ২৮ হাজারের বেশি ভোটে জয়ী হন কাজল সিনহা। যদিও ফল ঘোষণার আগেই করোনায় মৃত্যু হয় কাজল সিনহার। ফলে ওই কেন্দ্রে উপনির্বাচন জরুরি হয়ে পড়ে।
এদিকে মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে বেরিয়ে এসে সাংবাদিকদের শোভন দেব বলেন, “খড়দার মানুষকে বলতে চাই, আমি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রার্থী। তারা একবার তৃণমূলকে জিতিয়েছে। সম্প্রতি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও বাংলার মানুষ বিপুল ভোটে জিতিয়েছেন। মমতার এই উন্নয়নের গতিকে আরও ত্বরান্বিত করা ও খড়দার মানুষের সার্বিক উন্নয়ন করার চেষ্টা করব।



















