সার বীজের দাম বেড়ে যাওয়ায় দুশ্চিন্তায় আলু চাষীরা । করোনা মহামারীর জেরে শীতের শুরুতেই আলু চাষের ক্ষেত্রে সার বীজের দাম বেড়ে যাওয়ায় দুশ্চিন্তায় পড়েছেন চাষীরা। আলু চাষের ক্ষেত্রে কিভাবে চাষিরা সামাল দিবেন তা নিয়ম দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন মালদার বিভিন্ন ব্লকের চাষিরা।
তাঁদের বক্তব্য, আলু লাগানোর মরশুম সবেমাত্র শুরু হয়েছে। অধিকাংশ চাষীরা আলুর চাষ শুরু করে দিয়েছে। কিন্তু এবার আলুর চাষ করতে একাধিক সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। এই অবস্থায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে দাবি জানিয়েছেন আলুচাষিদের একাংশ।
জেলা কৃষি দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, মালদার ১৫ টি ব্লকের মধ্যে পুরাতন মালদা, গাজোল , হবিবপুর বামনগোলা, চাচোল , ইংরেজবাজার, রতুয়া ব্লকে সবথেকে বেশি আলু চাষ হয়ে থাকে। গাজোল ব্লকের আগরপুর এলাকার আলুচাষি পবিত্র রাজবংশী, সুজন রাজবংশীদের বক্তব্য, করোণা মহামারীর জেরে প্রথম থেকেই বীজের আকাল।
আর ও পড়ুন সুন্দরবনের নদীতে ভেসে এলো হরিণের মৃতদেহ, এলাকায় চাঞ্চল্য
আলুর দাম দেখে প্রথমে ভেবেছিলাম, এবার বীজ পেতে কোনও সমস্যা হবে না। কিন্তু যখন কৃষকরা বীজ কিনতে যাবে, ঠিক সেই মুহূর্তে আলুর দাম বেড়ে গেল। আবার চাষিদের কাছ থেকে যারা আলু কিনছে, তারা বেশি দাম দিতে রাজি নয়। এই এলাকায় মূলত টেকনিকো বীজে আলুর চাষ হয়। সেই বীজের দাম ৬০ টাকা প্রতি কিলো কিনতে হচ্ছে। অথচ হিমঘরে আলু রাখার জন্য আমাদের প্রতি ১০০ প্যাকেটের জন্য ১২ হাজার টাকা পর্যন্ত দিতে হয়েছে।
এককথায়, কৃষকদের লাভের গুড় ফড়েরা খাচ্ছে। শুধু বীজ নয়, সারের দাম অনেকটা বেড়ে গিয়েছে। সারের দামের ওপর বর্তমানে সরকারের কোনও নিয়ন্ত্রণ নেই। যে ডিলার যেমন পাচ্ছে, তেমন দাম নিচ্ছে। এর আগের বছর আমদের এক বিঘায় হাল দেওয়ার জন্য ৩০০ টাকা খরচ হয়েছে। এখন প্রতি বিঘা জমিতে হাল দেওয়ার জন্য ৪৫০ টাকা লাগছে। বর্তমানে এক বিঘা আলুর চাষ করতে অন্তত ৩০ হাজার টাকা খরচ পড়বে। চাষের ভবিষ্যৎ কী হবে, আমরা কেউ জানি না।



















