
Afganisthan-এ তালিবানরা ক্রমশ প্রায় গোটা দেশকে দখল করার পথে এগিয়ে চলেছে। ইতিমধ্যে তারা আফগানিস্তানের ১৮ টি প্রদেশে দখল করে ফেলেছে। রাজনৈতিক মহলের ধারণা, এরকম চলতে থাকলে খুব শীঘ্রই গোটা আফগানিস্তান দখল করে নেবে তালিবানরা। জটিল এই পরিস্থিতিতে আফগানিস্তানের রাষ্ট্রপতি আশরফ গনি জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিতে চলেছেন।
এদিকে ইতিমধ্যে আশরাফের পদত্যাগ দাবি করে বসে আছে তালিবান এবং পাকিস্তান। সেক্ষেত্রে তালিবানদের সঙ্গে সন্ধির কোন রাস্তা আশরাফের ভাষণের উঠে আসে কি না সেদিকেই সকলে তাকিয়ে রয়েছে। উল্লেখ্য, ইতিমধ্যে তালিবানরা কালত, তেরেনকোট, পুল এ আলম, ফিরোজ কোহ, কালা এ নহ, লস্কর গাহ, হেরাত, কান্দাহারের মত প্রদেশগুলোকে দখল করে নিয়েছে। তারা Afganisthan-এর রাজধানী কাবুলে থেকে একেবারে কাছে অবস্থান করছে।
আর ও পড়ুন আরও ১৫ দিন বাড়ল রাজ্যে করোনা বিধিনিষেধ, ৩১ Aujust পর্যন্ত চলবে না ট্রেন
যেভাবে তারা দ্রুত গতিতে এগিয়ে আসছে তাতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সে দেশ থেকে সেনাবাহিনী পুরোপুরি তুলে নেওয়ার আগেই তারা আফগানিস্তানের দখল নিয়ে ফেলবে বলে অনেকে মনে করছেন। উল্লেখ্য, ২০০১ সালে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মধ্য দিয়ে আফগানিস্তান থেকে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়েছিল তালিবানদের। তারপরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সন্ত্রাসবাদকে নির্মূল করতে ও তালিবানদের শিক্ষা দিতে দুই দশক ধরে আফগানিস্তানে সেনা মোতায়েন রেখেছিল এবং তালিবানদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালিয়ে গিয়েছে।
তবে এবার আলোচনার পর সেনা প্রত্যাহার করা হচ্ছে। জানা যায়, আলোচনায় ঠিক হয়েছিল যে তালিবানরা আফগানিস্তানে এমন কোনও সন্ত্রাসবাদীদের জায়গা দেবে না যারা পাশ্চাত্য দেশগুলির বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ চালাবে। এই বিষয়ে নিশ্চয়তা পাওয়ার পরই আমেরিকা সেনা সরিয়ে নিতে শুরু করেছে। কিন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অফগানিস্তান থেকে সেনা সরিয়ে নেওয়ার আগেই তালিবানরা আফগানিস্তানের দখল নিতে শুরু করে দিয়েছে।
এদিকে, আগামী ১১ সেপ্টেম্বর, ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে হামলার কুড়ি বছরের দিনই অফগানিস্তান থেকে পুরোপুরি আমেরিকা সেনা প্রত্যাহার করবে বলে ঘোষণা করেছে। ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে সন্ত্রাসবাদী হামলা চালানোর পর আমেরিকা আফগানিস্তানে গিয়ে তালিবানদের সঙ্গে যুদ্ধে লিপ্ত হয়। তার কারণ সন্ত্রাসবাদী ওসামা বিন লাদেনকে আশ্রয় দিয়েছিল তালিবানরা।
আমেরিকার হুঁশিয়ারির পরেও তারা লাদেনকে তাদের হাতে তুলে দেয়নি। যার ফলে ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় আসা তালিবানদের কয়েক বছরের মধ্যেই ক্ষমতাচ্যুত হতে হয়। এবং সেখানে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠা হয়। এবারে পরিস্থিতি যেদিকে মোড় নিচ্ছে তাতে ফের আফগানিস্তানে তালিবান্দের শাসন কায়েম হতে পারে বলে অনেকে মনে করছেন।



















