প্রবল ভূমিকম্পে (Earthquake) ধ্বংসস্তূপের চেহারা নিল হাইতির পোর্ট ও প্রিন্স এলাকাতে

প্রবল ভূমিকম্পে (Earthquake) ধ্বংসস্তূপের চেহারা নিল হাইতির পোর্ট ও প্রিন্স এলাকাতে

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram
Earthquake
 প্রবল ভূমিকম্পে (Earthquake) ধ্বংসস্তূপের চেহারা নিল হাইতির পোর্ট ও প্রিন্স এলাকাতে
ছবি সংগ্রহে সাইন টিভি

সাইন টিভি ডেস্কঃ  শনিবার সন্ধ্যায় প্রবল কম্পন ( Earthquake ) অনুভূত হয় হাইতির পোর্ট ও প্রিন্স এলাকাতে।  হঠাত কেউ কিছু বুঝে ওঠার আগেই হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল একের পর এক বাড়ি। মুহূর্তের মধ্যে ধ্বংসস্তুপের চেহারা নেয় আস্ত একটা শহর।ক্যারিবীয় দেশ হাইতিতে ৭ দশমিক ২ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্পে ( Earthquake )নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩০৪ জনে দাঁড়িয়েছে। স্থানীয় সময় শনিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে দেশটির পশ্চিমাঞ্চলে এই ভূমিকম্প আঘাত হানে। এই কম্পন এত বড় ছিল যে আশেপাশের দেশগুলিতেও এর প্রভাব বোঝা যায়।

জানা গিয়েছে, প্রবল এই ভূমিকম্পে ( Earthquake ) ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে সে দেশে। সূত্রের খবর, এখনও পর্যন্ত প্রবল ভূমিকম্পে ৩০৪ জনের মৃত্যুর হয়েছে। শুধু তাই নয়, ১৮০০ এরও বেশি মানুষ আহত হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে।  তবে মৃতের সংখ্যাটা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা। কারণ শহরের চারপাশ জুড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে একের পর এক বহুতল। সেই ধ্বংসস্তূপ এখনও সরানো সম্ভব হয়নি।  এই অবস্থায় সেখানে বহু মানুষ চাপা পড়ে থাকতে পারে বলে অনুমান। তবে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উদ্ধার কাজ চালানো হচ্ছে।

 

তবে হাইতির প্রধানমন্ত্রী আরিয়েল অঁরি ইতিমধ্যে সে দেশে আগামী একমাসব্যাপী জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন। তিনি জানিয়েছেণ, স্থানীয় হাসপাতালগুলি আহতদের সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে। একের পর এক দেহ আসতেই থাকছে। অনেকে বাঁচানো যাচ্ছে অনেকে যাচ্ছে না। তবুও চিকিৎসকরা তাঁদের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী আরিয়েল অঁরি।  শুধু তাই নয়, ধ্বংসস্তূপের মধ্যে জীবিত অবস্থায় মানুষকে উদ্ধার করাই তাঁদের মূল টার্গেট বলে জানিয়েছেন তিনি।

 

এর আগে ২০১০ সালের হাইতিতে সাত মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনছিল। তখন সরকারি হিসেবেই প্রায় তিন লাখ মানুষ প্রাণ হারিয়েছিল। হাইতি এখনও সেই ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে পারেনি। তার মধ্যেই আবার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানল ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জের দেশটিতে।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top