
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ( Mamata ) জলস্বপ্ন প্রকল্পকে প্রসারিত করার উদ্যোগ ইতিমধ্যেই নিয়েছে নবান্ন। স্কুল,অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র এবং স্বাস্থ্যকেন্দ্র গুলিকে এই প্রকল্পের আওতার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশ আগেই দেওয়া হয়েছিল। এবার জেলাশাসকদের জলস্বপ্ন প্রকল্পকে আরও কার্যকরী করার জন্য কয়েক দফার নির্দেশ দিলেন মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী। নবান্ন সূত্রে এমনই খবর। বাড়িতে বাড়িতে জলের যোগাযোগ প্রত্যেক সপ্তাহে পাঠানোর সংখ্যা আরো বাড়ানোর পাশাপাশি, স্কুল, অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র এবং স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলিতে যাতে দ্রুত জলের পাইপ লাইনের সঙ্গে যোগাযোগ করা যায় সেই বিষয়েও প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আর ও পড়ুন ; Babul Supriya -কে নিয়ে জল্পনা চড়িয়ে দিলেন BJP নেতা Rudranil
নবান্ন সূত্রে খবর, ইতিমধ্যেই এই বিষয় নিয়ে মুখ্যসচিব একটি বৈঠক করেছিলেন। সম্প্রতি জেলাশাসকের সঙ্গে একটি ভিডিও কনফারেন্সে জলস্বপ্ন নিয়ে আলোচনাও হয়েছিল। গত বছরের জুলাই মাসে “জলস্বপ্ন” প্রকল্পের কথা জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ( Mamata )। মূলত এই প্রকল্পের মাধ্যমে রাজ্যের গ্রামীণ এলাকাগুলিতে পরিশুদ্ধ পানীয় জল পৌঁছে দেওয়া হবে এমনটাই জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সরাসরি পাইপ লাইনের মাধ্যমে অন্তত দুটি বাড়িতে পানীয় জল পৌঁছে দেওয়ার কথাও বলেছিলেন তিনি। এর জন্য সময় ধার্য করা হয়েছে পাঁচ বছর। নবান্ন সূত্রে খবর, এবার সেই প্রকল্পে আরও গতি আনতে কয়েকটি নির্দেশ জেলাশাসকদের দিয়েছেন মুখ্য সচিব। সেগুলি হল-
১) প্রত্যেক জেলাশাসককে জলস্বপ্নের রিভিউ বৈঠক করতে হবে।
২) যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এই প্রকল্পের জন্য প্রয়োজনীয় জমি কিনতে হবে। জেলায় পরিত্যক্ত সরকারি জমি থাকলে তা চিহ্নিত করে প্রকল্পের কাজে লাগানোর পরিকল্পনা করতে হবে।
৩) স্কুল, অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র এবং স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলিকেও জলস্বপ্ন প্রকল্পে পাইপ লাইনের মাধ্যমে পরিশুদ্ধ পানীয় জল পৌঁছে দিতে হবে।
৪) প্রতি সপ্তাহে এই প্রকল্পের কাজ পর্যালোচনা করতে হবে।
৫) বাড়িতে বাড়িতে জলের যোগাযোগ ব্যবস্থা যাতে প্রত্যেক সপ্তাহে বাড়ানো যায় সেই বিষয়ে নজরদারি করতে হবে। প্রত্যেক সপ্তাহে এই নজরদারি করতে হবে।



















