
Niraj Chopra পাঞ্জাব ও হরিয়ানা দুই রাজ্যের দড়ি টানাটানিতে লাভবান হচ্ছেন। টোকিও অলিম্পিকে বর্শা নিক্ষেপের মাধ্যমে অলিম্পিকের অ্যাথলেটিক্সে প্রথম সোনা জিতেছেন নীরজ চোপড়া। দেশের আবেগ সরিয়ে রাখলে রাজ্যের প্রেক্ষিতে কোন মাটিকে গর্বিত করলেন নীরজ, তা নিয়ে শুরু হয়েছে লড়াই। ২৩ বছরের অ্যাথলিটের সাফল্যের আঁচ গায়ে মাখতে মরিয়া হয়ে উঠেছে পাঞ্জাব ও হরিয়ানা।
দুই রাজ্যের দড়ি টানাটানিতে অবশ্য লাভবান হচ্ছেন Niraj Chopra । সুবিধা পাচ্ছেন অন্যান্য অ্যাথলিটরাও। টোকিও অলিম্পিকের ওই ইভেন্টের যোগ্যতা অর্জন পর্বেও প্রথম হয়েছিলেন নীরজ। ওই রাউন্ডে ৮৬.৫৯ দূরত্বে বর্শা ছুঁড়েছিলেন ভারতের গর্ব। ১৩ বছর পর অলিম্পিকের ব্যক্তিগত ইভেন্ট থেকে সোনা জেতা নীরজকে নিয়ে দুই ভাইয়ের মধ্যে টানাটানি শুরু হয়েছে। কোন রাজ্যের অ্যাথলিট, তা নিয়ে অধিকার কায়েমের যুদ্ধে নেমে পড়েছে পাঞ্জাব ও হরিয়ানা। লড়াই চলছে দেশকে গর্বিত করা দুই রাজ্যের হকি খেলোয়াড়দের স্বীকৃতি দেওয়া নিয়েও। নীরজকে আর্থিক পুরস্কার হরিয়ানার পানিপথে থাকেন নীরজ চোপড়া।
সেই অধিকারে বিধি মেনেই সোনাজয়ী ঘরের ছেলেক জন্য ৬ কোটি টাকা আর্থিক পুরস্কার ও সরকারি চাকরি দেওয়ার কথা ঘোষণা করে সে রাজ্যের সরকার। ওদিকে পাঞ্জাব আবার মনে করে Niraj Chopra তাদেরই আপন। দাবি, ২৩ বছরের জ্যাভলিন থ্রোয়ারের বাবা-মায়ের জন্ম পাঞ্জাবেই। একই সঙ্গে এনআইএস পাতিয়ালায় অনুশীলন করার সৌজন্যে নীরজকে ঘরের ছেলে বলেই মনে করছে অমরিন্দর সিং সরকার। দেশের সফল অ্যাথলিটের জন্য আড়াই কোটি টাকা আর্থিক পুরস্কার ঘোষণা করেছে পাঞ্জাব প্রশাসন।
দুই রাজ্যের সংবর্ধনা প্রদানেও থাকছে প্রতিযোগিতা। বৃহস্পতিবার চণ্ডীগড়ে নীরজকে অভ্যর্থনা জানাবে পাঞ্জাব সরকার। শুক্রবার সোনার ছেলে সংবর্ধনা দেবে হরিয়ানা প্রশাসন। অন্যদিকে ওই হকি দলের অধিনায়ক মনপ্রীত সিং সহ মোট ১০ জন খেলোয়াড়ের জন্য প্রথমে ১ কোটি টাকার আর্থিক পুরস্কার ঘোষণা করেছিল পাঞ্জাব সরকার। ওদিকে টোকিও অলিম্পিকে চতুর্থ হওয়া মহিলা হকি দলের অন্যতম সদস্য তথা নিজের রাজ্যের ৯ হকি খেলোয়াড়ের জন্য ৫০ লক্ষ টাকার আর্থিক পুরস্কার ঘোষণা করে হরিয়ানা। প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ে পুরস্কার মূল্য বাড়িয়ে দেয় পাঞ্জাব। ব্রোঞ্জজয়ী পুরুষ হকি দলের অন্যতম সদস্য তথা নিজের রাজ্যের দশ জন খেলোয়াড়ের জন্য আর্থিক পুরস্কারের মূল্য বাড়িয়ে ২.৫১ কোটি টাকা করা হয়েছে।



















