১৬ ডিসেম্বর, ভারতে সংশোধনী এনআরসি ও নাগরিকত্ব বিল পাশ হওয়ার পর উদ্বেগে বাংলাদেশও।নতুন আইনের কারণে অস্বস্তি বোধ করছে বাংলাদেশের ক্ষমতাসীন দল শেখ হাসিনার আওয়ামি লিগ। না দেশের মানুষকে জবাবদিহি করতে পারছে, না খোলাখুলি এর প্রতিবাদ জানাতে পারছে।এ বিষয়ে মুখ খুলেছে কয়েকজন মন্ত্রী।তাঁরা জানান, বাংলাদেশের নাগরিক ছাড়া কাউকে এদেশে ঢুকতে দেওয়া হবে না।
ইতিমধ্যে দেশের মানুষের মধ্যেও ক্ষোভ বাড়ছে। পরিস্থিতির সুযোগে তাঁরা যেকোনোও সময়ে বিক্ষোভের চেহারা নিতে পারেন।চাপে আছেন বাংলাদেশের সংখ্যালঘু হিন্দুরাও। সংখ্যালঘু নেতারা বলছেন, বাংলাদেশকে যারা সংখ্যালঘু-শূন্য করতে চাইছে, তাদেরই এতে সুবিধে হবে। সম্প্রতি বাংলাদেশের দুই মন্ত্রী ভারত সফর বাতিল করেছেন।
যদিও এনআরসি বা নাগরিকত্ব আইনের কারণে তাঁদের সফর বাতিল হয়েছে, এমন কথা তাঁরা আনুষ্ঠানিকভাবে বলেননি।বাংলাদেশের বিদেশ মন্ত্রকের প্রাক্তন সচিব তৌহিদুল ইসলাম অবশ্য সরাসরিই জানিয়েছেন, এই মুহূর্তে ‘বিতর্কিত’ নাগরিকত্ব আইন নিয়ে বাংলাদেশ অশান্ত বোধ করছে।কারণ, দেশের মানুষ এই আইনটিকে ভালভাবে নিচ্ছেন না। এই আইনের কারণে বাংলাদেশে সংখ্যালঘুরা, বিশেষত হিন্দুরা এক ধরনের চাপের মুখে পড়েছেন।
এর আগে এনআরসি নিয়ে ভারতের কাছ থেকে কোনও লিখিত আশ্বাস পায়নি বাংলাদেশ। তবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরের সময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মৌখিক আশ্বাস দিলেও কিন্তু লিখিত কিছু দেওয়া হয়নি। তবে বিদেশমন্ত্রী ড: মোমেন রবিবার সাংবাদিকদের সামনে বলেন, ‘দেশের সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশি ছাড়া অন্য কেউ ঢুকলে তাদের বিদায় করে দেওয়া হবে।’



















