দলত্যাগের মামলায় ফের সময় চাইলেন সুদীপ-কাকলিরা, ৮ অক্টোবরের ডেডলাইনও মিস ২০ সাংসদের

দলত্যাগের মামলায় ফের সময় চাইলেন সুদীপ-কাকলিরা, ৮ অক্টোবরের ডেডলাইনও মিস ২০ সাংসদের

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram



নয়াদিল্লি

দলত্যাগবিরোধী আইনের আওতায় তাঁদের সাংসদপদ কেন খারিজ করা হবে না, সেই জবাব দেওয়ার সময়সীমা ফের পেরিয়ে গেল ২০ জন NCPI সাংসদের। কাকলি ঘোষ দস্তিদার, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, শতাব্দী রায়ের মতো সাংসদদের কাছে লোকসভার স্পিকারের দফতর থেকে জবাব চাওয়া হয়েছিল। শেষবার ৮ অক্টোবরের মধ্যে সেই জবাব দেওয়ার সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উত্তর দিতে পারেননি তাঁরা।

সূত্রের খবর, এবার আরও দু’সপ্তাহ সময় চেয়ে স্পিকার ওম বিড়লার দফতরে মেইল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সংশ্লিষ্ট সাংসদরা। বুধবার NCPI-র সংসদীয় দলনেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় স্পিকারের সঙ্গে ফোনে কথা বলেও সময় চেয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। আইনজীবীদের সঙ্গে আলোচনার পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই জবাব দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই প্রস্তুতি সম্পূর্ণ না হওয়ায় ফের সময় চাওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

এর আগে লোকসভার স্পিকারের দফতর ২৫ সেপ্টেম্বর ২০ জন সাংসদকে জবাব দেওয়ার জন্য ১৫ দিনের অতিরিক্ত সময় দিয়েছিল। সেই সময়সীমাই ৮ অক্টোবর শেষ হয়। এর আগে একাধিকবার সময় চেয়েছেন ওই সাংসদরা।

তৃণমূলের অভিযোগ, বিধানসভা নির্বাচনের পর দল ছেড়ে ২০ জন সাংসদ NCPI-তে যোগ দিয়েছেন এবং তাঁদের এই পদক্ষেপ দলত্যাগবিরোধী আইনের আওতায় পড়ে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই সাংসদদের সদস্যপদ খারিজের দাবি জানিয়ে লোকসভার স্পিকারের কাছে আবেদন করা হয়েছে। স্পিকারের নোটিসে সেই অভিযোগের জবাবই চাওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, সংশ্লিষ্ট সাংসদদের দাবি, বিষয়টি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের মামলার সময়সীমা এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্র প্রস্তুতের জন্য তাঁদের আরও সময় প্রয়োজন। ফলে নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যেও জবাব না দিয়ে ফের সময় চাওয়ার পথে হাঁটলেন তাঁরা। এই নিয়ে স্পিকারের দফতর কী সিদ্ধান্ত নেয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top