বিদেশ – মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার মধ্যে মঙ্গলবার স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে ইরানের রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস। তারা জানিয়েছে, যুদ্ধের সমাপ্তি ঘোষণা করবে ইরানই, ট্রাম্প নয়। মার্কিন প্রেসিডেন্টকে ‘ননসেন্স’ আখ্যা দিয়ে হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান, যে কোনো অবস্থায় আমেরিকা এবং ইজরায়েল যদি তেলের খনিতে হামলা চালায়, তাহলে এক লিটার তেলও বের হতে দেওয়া হবে না।
এর আগে সোমবারে একটি মার্কিন সংবাদপত্রকে ফোনে সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেছেন, “আমার মনে হয় যুদ্ধ শেষ। আমরা ভালোমতোই সাফল্য পেয়েছি।” কিন্তু কয়েক ঘণ্টা পর রিপাবলিক দলের অনুষ্ঠানে ভাষণ দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “আমরা অনেক ক্ষেত্রেই জিতে ফেলেছি। তবে সেটা যথেষ্ট নয়।” সেই সঙ্গেই ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন, ইরান যদি যুদ্ধে জিততে পারে, তাহলে সেখানে তেলের খনির দখল নিতে পারে আমেরিকা। ট্রাম্পের এই আশ্বাসবাণীর কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম হুহু করে কমতে থাকে।
হরমুজ প্রণালীতে তেল চলাচল বন্ধ হলে ইরানের উপর ২০গুণ বেশি হামলা হবে—এই আশ্বাসে ভর করে তেলের দাম কমেছে এবং বাজারের সূচকও ওঠেছে। তবে ইরান সেনার হুঙ্কার এই চিত্র পাল্টে দিতে পারে কি না, তা আন্তর্জাতিক মহলে প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।
ইরান স্পষ্ট করেছে, যুদ্ধ শেষ হয়েছে কিনা তা ঠিক করবে ওয়াশিংটন নয়। সেনার মুখপাত্র জানিয়েছেন, যদি আমেরিকা বা ইজরায়েল হামলা চালায়, তাহলে তারা হরমুজ প্রণালী থেকে তেল চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেবে। নাম উল্লেখ না করেও তেহরান হুঁশিয়ারি দিয়েছে, গোটা মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা ইরানি সেনার হাতে, তাই তারা অঞ্চলের ভবিষ্যৎ এবং দ্বিপাক্ষিক সমীকরণ নির্ধারণ করবে।
আন্তর্জাতিক মহল যদিও ট্রাম্পের কথায় ভরসা রেখেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট নিজস্ব সোশাল মিডিয়ায় বলেছেন, হরমুজ প্রণালীতে তেল চলাচল বন্ধ হলে ইরানের উপর ২০গুণ বেশি হামলা হবে। এই আশ্বাসে তেলের দাম কমেছে এবং বাজারের সূচক উঠেছে। তবে ইরানি সেনার হুঙ্কারে সেই পরিস্থিতি আবার পাল্টে যেতে পারে কি না, সেটাই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।




















