ভোটের দিন দেবের বার্তায় উঠে এল ভবিষ্যৎ ইস্যু—জনসংখ্যা ও কর্মসংস্থান নিয়ে উদ্বেগ

ভোটের দিন দেবের বার্তায় উঠে এল ভবিষ্যৎ ইস্যু—জনসংখ্যা ও কর্মসংস্থান নিয়ে উদ্বেগ

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram


বিনোদন – ভোটের দিন শুধু রাজনৈতিক অবস্থান নয়, ভবিষ্যতের গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক ও অর্থনৈতিক ইস্যু নিয়েও মুখ খুললেন তৃণমূল সাংসদ ও অভিনেতা দেব। সাউথ সিটির একটি স্কুলে ভোট দেওয়ার পর তিনি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সক্রিয় অংশগ্রহণের পাশাপাশি জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ ও কর্মসংস্থানের মতো বড় প্রশ্ন সামনে আনেন।
ভোট দিয়ে বেরিয়ে দেব বলেন, “ভোটের মাধ্যমে আমরা যেন একটি ভালো সরকার এবং ভালো ভবিষ্যৎ পাই।” তাঁর মতে, গণতন্ত্রের শক্তি নিহিত রয়েছে বেশি সংখ্যক মানুষের ভোটদানের মধ্যে। যত বেশি মানুষ ভোট দেবেন, ততই গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী ও সুস্থ হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
রাজনৈতিক অবস্থান প্রসঙ্গে তিনি স্পষ্ট করেন, একজন দলীয় কর্মী হিসেবে তাঁর স্বাভাবিক প্রত্যাশা হল তাঁর দল জয়ী হোক এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আবার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিন। তবে একই সঙ্গে তিনি এও জানান যে, শেষ সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণভাবে ভোটারদের হাতেই। কে কাকে ভোট দেবেন, সেই অধিকার তাঁর নয় বলেও স্পষ্ট করে দেন দেব।
ধর্মীয় মেরুকরণ নিয়ে সতর্ক অবস্থান নিয়ে তিনি বলেন, ভারত একটি ধর্মনিরপেক্ষ দেশ, তাই রাজনীতিতে ধর্মকে ব্যবহার করা উচিত নয়। পাশাপাশি নির্বাচন কমিশন, সেনাবাহিনী এবং অন্যান্য কেন্দ্রীয় সংস্থার নিরপেক্ষতা বজায় রাখার প্রয়োজনীয়তার কথাও তিনি তুলে ধরেন।
তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য ছিল জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ নিয়ে। দেব বলেন, “দেশে জনসংখ্যা দ্রুত বাড়ছে, আর চাকরির পরিস্থিতিও সবাই জানেন।” তাঁর মতে, এই সমস্যার সমাধানে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রয়োজন, যা ২০–২৫ বছরের দৃষ্টিভঙ্গিতে বাস্তবায়ন করতে হবে।
তিনি আরও জানান, ভবিষ্যতে সরকার গঠিত হলে তিনি এই বিষয়টি রাজ্য সরকারের সামনে তুলবেন এবং কেন্দ্রীয় সরকারের কাছেও প্রতিটি রাজ্যে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে সুস্পষ্ট নীতি গ্রহণের দাবি জানাবেন। একই সঙ্গে কর্মসংস্থানের সংকট ও জনসংখ্যা বৃদ্ধির মধ্যে সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে বলেও তিনি ইঙ্গিত দেন।
সব মিলিয়ে, ভোটের দিন দেবের বক্তব্যে উঠে এল রাজনৈতিক আবহের বাইরে গিয়ে ভবিষ্যৎ উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু—জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ ও কর্মসংস্থান, যা আগামী দিনে রাজনীতির কেন্দ্রীয় আলোচনায় আরও বড় জায়গা নিতে পারে।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top