নয়াদিল্লি: ২০২৭ সালের একদিনের ক্রিকেট বিশ্বকাপে ভারতকে চ্যাম্পিয়ন হতে হলে শুধু বিরাট কোহলি ও রোহিত শর্মার উপর নির্ভর করলে চলবে না। দলের প্রত্যেক ক্রিকেটারকে নিজেদের দায়িত্ব পালন করতে হবে। বিশেষ করে বোলিং ও ফিল্ডিং বিভাগকে আরও শক্তিশালী করে তোলার উপর জোর দিয়েছেন ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটার মহম্মদ কাইফ। তাঁর মতে, বিশ্বকাপে সাফল্য পেতে হলে দলগত পারফরম্যান্সই হবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবোয়ে ও নামিবিয়ায় আয়োজিত হওয়ার কথা ২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ। আগামী ২১ নভেম্বর ফাইনাল হওয়ার কথা। প্রতিযোগিতার দুটি সেমিফাইনাল ও ফাইনাল আয়োজনের দায়িত্বে রয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। কেপটাউন, সেঞ্চুরিয়ন ও জোহানেসবার্গের মতো গুরুত্বপূর্ণ ভেন্যুতে হতে পারে নকআউট পর্বের ম্যাচগুলি।
কাইফের মতে, দক্ষিণ আফ্রিকার পিচের চরিত্র আগের তুলনায় অনেকটাই বদলেছে। বর্তমানে সেখানে ব্যাটাররা বেশি সুবিধা পাচ্ছেন। ফলে আসন্ন বিশ্বকাপে ব্যাটারদের দাপট দেখা যেতে পারে বলে মনে করছেন তিনি। তবে তাঁর বক্তব্য, শুধু বড় রান করলেই হবে না, প্রতিপক্ষকে চাপে রাখতে কার্যকর বোলিং আক্রমণও গড়ে তুলতে হবে।
কাইফের কথায়, “দক্ষিণ আফ্রিকার পরিস্থিতি এখন অনেকটাই বদলে গিয়েছে। সেখানে প্রচুর ব্যাটিং সহায়ক পিচ রয়েছে। তাই আমার মনে হয় না, বোলাররা আধিপত্য বিস্তার করবে। বরং ব্যাটাররাই বেশি প্রভাব ফেলবে। যে দলের বোলিং আক্রমণ ভালো হবে, তারাই ভালো করবে।”
কোহলি-রোহিতের বয়স নিয়ে বাড়তি চিন্তা নয়
২০২৭ সালের বিশ্বকাপের আগে ভারতীয় দলের দুই অভিজ্ঞ তারকা বিরাট কোহলি ও রোহিত শর্মাকে নিয়েও আলোচনা চলছে। বিশ্বকাপের সময় তাঁদের বয়স যথাক্রমে ৩৯ ও ৪০ বছর হবে। ফলে ওই প্রতিযোগিতায় তাঁরা খেলবেন কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। তবে কাইফের মতে, এই দুই ক্রিকেটারকে ঘিরে অতিরিক্ত উদ্বিগ্ন না হয়ে দলের সামগ্রিক প্রস্তুতির দিকে নজর দেওয়া উচিত।
বিশ্বকাপের মতো বড় প্রতিযোগিতায় অভিজ্ঞ ব্যাটারদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হলেও তাঁদের একার পক্ষে দলকে শিরোপা জেতানো সম্ভব নয়। বোলারদের ধারাবাহিকতা, ফিল্ডারদের দক্ষতা এবং চাপের মুখে দলের সম্মিলিত পারফরম্যান্সই শেষ পর্যন্ত ব্যবধান গড়ে দিতে পারে। তাই ২০২৭ বিশ্বকাপে ভারতের সাফল্যের জন্য দলগত ভারসাম্য ও সব বিভাগের কার্যকর অবদানকে গুরুত্ব দিচ্ছেন প্রাক্তন এই ক্রিকেটার।




















