মালদা: পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত মালদার রতুয়া। জোর করে ব্লক অফিসে ঢোকার চেষ্টা, গেট ভাঙার অভিযোগ এবং পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কিকে ঘিরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে লাঠিচার্জ করা হয় বলে অভিযোগ। কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশের বিরুদ্ধে কংগ্রেস সমর্থকদের লাঠিপেটার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় বেশ কয়েকজন কংগ্রেস কর্মী জখম হয়েছেন বলে দাবি দলের।
অভিযোগ, সভাপতি নির্বাচনকে ঘিরে ব্লক অফিসে ঢোকার চেষ্টা করেন কংগ্রেসের নেতাকর্মীরা। নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা তাঁদের বাধা দিলে শুরু হয় বচসা ও ধাক্কাধাক্কি। এক পর্যায়ে গেট ভাঙার চেষ্টার অভিযোগ ওঠে। পরিস্থিতি সামাল দিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা লাঠি নিয়ে এগিয়ে আসেন বলে অভিযোগ কংগ্রেসের। এর পরেই উত্তেজনা আরও বাড়ে।
ঘটনার প্রতিবাদে ব্লক অফিসের সামনেই রাস্তায় বসে পড়েন কংগ্রেস সমর্থকরা। শুরু হয় অবরোধ ও বিক্ষোভ। সভাপতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এই অশান্তির জেরে এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়।
অন্যদিকে, যাবতীয় গোলমালের মধ্যেই শেষ পর্যন্ত রতুয়া-২ পঞ্চায়েত সমিতির নতুন সভাপতি নির্বাচিত হন কংগ্রেসের জিয়াউল হক। এর ফলে তৃণমূলের হাত থেকে পঞ্চায়েত সমিতির দখল কংগ্রেসের হাতে এল। সভাপতি নির্বাচনে জিয়াউল হককে সমর্থন করেন সিপিএমের তিনজন এবং তৃণমূলের তিনজন পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য।
সভাপতি নির্বাচন ঘিরে সংঘর্ষের অভিযোগ এবং রাজনৈতিক সমীকরণের পরিবর্তন—দুই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রতুয়ার পরিস্থিতি এখন আলোচনায়। তবে লাঠিচার্জ ও কর্মীদের জখম হওয়ার অভিযোগ নিয়ে পুলিশের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য জানা যায়নি।




















