
নিজস্ব সংবাদদাতা,বীরভূম,২৯ শে আগস্ট : যেকোনো সরকারি চাকরীতে তাদের জন্য সংরক্ষণ নিদির্ষ্ট রাখতে হবে এবং দ্রুত নিয়োগ করতে হবে। মূলত এই দাবী নিয়ে বীরভূম জেলার ভূমিহীন বেকার যুবতীরা বৃহস্পতিবার বেলা এগারোটা নাগাদ সিউড়ি বাসস্ট্যাণ্ড থেকে মিছিল করে জেলাশাসকের কাছে ডেপুটেশন জমা দেয়। এই মিছিলে অংশগ্রহণ করে প্রায় সাড়ে চারশো জন জমিদাতা, যাদের সরকার কর্তৃক জমি অধিগ্রহন হয়েছে কিন্তু দীর্ঘদিন কোনো চাকরী দেওয়া হয়নি।
জমিদাতা এই বেকার যুবক যুবতীদের অভিযোগ, সরকারি নিয়মে জমি অধিগ্রহণ করলেও জমিদাতাকে ন্যায্য ক্ষতিপূরণ এবং তাঁর পরিবারে একজনকে চাকরী দিতে হবে বলে যেখানে নির্দিষ্ট করা আছে, সেখানে সরকার নিজের প্রতিশ্রুতি রাখছে না।ডেপুটেশন জমা দিতে আসা যুবক যুবতীদের দাবি, অবিলম্বে আমাদের চাকরীর ব্যবস্থা করা হোক অথবা আমাদের জমি ফেরত দেওয়া হোক।
উল্লেখ্য, এতদিন অন্যান্য জেলায় ভূমিহারারা আন্দোলন সংগঠিত করলেও বীরভূমে এরা কোনো আন্দোলন বা মিটিং মিছিল করেনি। এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তাদের স্পষ্ট বার্তা, “সরকারের প্রতি আস্থা রেখেই আমরা নিজেদের আন্দোলন কিম্বা মিটিং মিছিল থেকে সড়িয়ে রেখেছিলাম। কিন্তু দীর্ঘদিন তো আর অপেক্ষা করা যায় না। একদিকে জমি দিয়ে ফেলেছি আর অপরদিকে কোনো চাকরী বাকরি নেই! এভাবে কি চলতে পারে?”
প্রসঙ্গত, এমাসের ২৬ তারিখ জেলার প্রায় দুশো জন ভূমিহীন সদাইপুরের চিনপাই গ্রামে মিলিত হয় এবং সেদিনই স্থির হয় জেলাশাসকের কাছে ডেপুটেশন দেবার। সেইমতো ছয়জনের একটি প্রতিনিধিদল গড়া হয়। এই ডেপুটেশনকে ঘিরে যাতে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে তার জন্য পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ব্যাবস্থা করা হয়। জেলাশাসক মৌমিতা গোদারা মহাশয়া বিষয়টি নিয়ে খতিয়ে দেখার আশ্বাস দেন।


















