আই-প্যাক মামলায় তদন্তভার কার হাতে, রায় সংরক্ষিত সুপ্রিম কোর্টে

আই-প্যাক মামলায় তদন্তভার কার হাতে, রায় সংরক্ষিত সুপ্রিম কোর্টে

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram


নয়াদিল্লি: বিধানসভা ভোটের আগে তৃণমূল কংগ্রেসের ভোটকৌশলী সংস্থা ‘আই-প্যাক’-এর দফতরে ইডির তল্লাশি অভিযান ঘিরে দায়ের হওয়া মামলায় বৃহস্পতিবার রায় সংরক্ষিত রাখল সুপ্রিম কোর্ট। তদন্তের দায়িত্ব রাজ্য পুলিশের হাতেই থাকবে, নাকি মামলাটি সিবিআইয়ের হাতে তুলে দেওয়া হবে, সেই নির্দিষ্ট আইনি প্রশ্নেই রায় সংরক্ষণ করেছে বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্র এবং বিচারপতি এন ভি আঞ্জারিয়ার ডিভিশন বেঞ্চ।

মামলায় অভিযোগ, আই-প্যাকের দফতরে ইডির তল্লাশি অভিযানে বাধা দেওয়া হয়েছিল এবং গুরুত্বপূর্ণ নথি সরিয়ে ফেলা হয়েছিল। বৃহস্পতিবার শুনানিতে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে সওয়াল করেন আইনজীবী কপিল সিবাল। তাঁর যুক্তি, বর্তমানে মমতা আর মুখ্যমন্ত্রী পদে নেই। রাজ্যের প্রশাসনিক ক্ষমতাও এখন অন্য রাজনৈতিক দলের হাতে। ফলে তদন্তে প্রভাব খাটানোর আশঙ্কা আর নেই বলেই দাবি করেন তিনি।

কপিল সিবালের বক্তব্য, নতুন রাজ্য সরকার চাইলে নিজের এক্তিয়ারেই মামলাটি সিবিআইয়ের হাতে তুলে দিতে পারে। আইনত সেই ক্ষমতা তাদের রয়েছে। তাই এই পরিস্থিতিতে সুপ্রিম কোর্টের নতুন করে কোনও নির্দেশ দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।

এর জবাবে বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্র মনে করিয়ে দেন, আগের শুনানিতেও আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী একই ধরনের যুক্তি দিয়েছিলেন। তবে ইডির মূল উদ্বেগ, রাজ্য পুলিশ তদন্তের দায়িত্ব পেলে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত তদন্তের অভিযোগ উঠতে পারে।

কপিল সিবাল পাল্টা জানান, তাঁদের তরফে এই ধরনের কোনও অভিযোগ তোলার বা এমন পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

অন্যদিকে, ইডির পক্ষে অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল এস ভি রাজু সওয়ালে আপত্তি জানান। তাঁর দাবি, পরিস্থিতি অনেক দূর এগিয়েছে। নতুন রাজ্য সরকার স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে তদন্তভার সিবিআইয়ের হাতে তুলে দিলেও তা নিয়ে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগ তুলে বিষয়টি জটিল করার চেষ্টা হতে পারে।

দু’পক্ষের বক্তব্য শোনার পর তদন্তের দায়িত্ব কার হাতে থাকবে, সেই সীমিত আইনি প্রশ্নে রায় সংরক্ষণ করেছে শীর্ষ আদালত। এখন সুপ্রিম কোর্টের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের দিকেই নজর রয়েছে।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top