জামিয়ার পর এবার JNU-র দেওয়ালে ‘ফ্রি উমর খালিদ’, ‘লং লিভ নকশালবাড়ি’! রাজনৈতিক স্লোগান ঘিরে নতুন বিতর্ক, তদন্তে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ

জামিয়ার পর এবার JNU-র দেওয়ালে ‘ফ্রি উমর খালিদ’, ‘লং লিভ নকশালবাড়ি’! রাজনৈতিক স্লোগান ঘিরে নতুন বিতর্ক, তদন্তে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram


স্থান: নয়াদিল্লি

দিল্লির দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের দেওয়ালে রাজনৈতিক স্লোগান লেখাকে কেন্দ্র করে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। শুক্রবার জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়ার দেওয়ালে ‘ফ্রি কাশ্মীর’ এবং ‘ফ্রি শরজিল ইমাম’ স্লোগান দেখা গিয়েছিল। তার ঠিক এক দিন পর, শনিবার জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয় (JNU)-এর দেওয়ালে দেখা গেল ‘ফ্রি উমর খালিদ’ এবং ‘লং লিভ নকশালবাড়ি’ স্লোগান। পরপর দুই বিশ্ববিদ্যালয়ে এই ধরনের রাজনৈতিক লেখা ঘিরে সরব হয়েছে বিজেপির ছাত্র সংগঠন অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (ABVP)। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট করার অভিযোগ উঠেছে বামপন্থী ছাত্র সংগঠনগুলির বিরুদ্ধে। বিষয়টি খতিয়ে দেখছে জেএনইউ কর্তৃপক্ষ।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে খবর, ক্যাম্পাসের দেওয়ালে রাজনৈতিক স্লোগানগুলি নজরে আসার পরই বিষয়টি নিয়ে খোঁজখবর শুরু হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার উপর জোর দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। ক্যাম্পাসের শান্তি ও শৃঙ্খলা নষ্ট করার কোনও প্রচেষ্টা বরদাস্ত করা হবে না বলেও জানানো হয়েছে বলে বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রের দাবি।

এই ঘটনায় আপত্তি জানিয়েছে এবিভিপির জেএনইউ শাখা। সংগঠনের অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয়ের দেওয়ালে এই ধরনের লেখা লিখে শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তাদের দাবি, সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া কয়েকটি ছবিতে সর্বভারতীয় ছাত্র সংগঠন এআইএসএ-র সদস্যদের আপত্তিকর স্লোগান লিখতে দেখা গিয়েছে। যদিও এই অভিযোগের স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া তথ্য সামনে আসেনি।

এবিভিপি আরও দাবি করেছে, হিন্দুত্ববাদী মতাদর্শের প্রবক্তা ভিডি সাভারকরের একটি প্রতিকৃতির পাশেও এই ধরনের স্লোগান লেখা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে রাজনৈতিক স্লোগান লেখার বিরোধিতা করে সংগঠনটি ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে।

জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া থেকে জেএনইউ—পরপর দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের দেওয়ালে রাজনৈতিক স্লোগান ঘিরে তৈরি হয়েছে বিতর্ক। একদিকে ছাত্র সংগঠনগুলির মধ্যে অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ, অন্যদিকে ক্যাম্পাসের শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার প্রশ্ন। এখন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অনুসন্ধানে কী তথ্য উঠে আসে, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top