নয়াদিল্লি: চার রাজ্যের ২৮টি বিধান পরিষদ আসনের নির্বাচনে কংগ্রেসের ফলাফলকে কেন্দ্র করে দলটিকে কটাক্ষ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। উত্তরপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, বিহার ও কর্ণাটকে বিধান পরিষদের এই নির্বাচনগুলি হয়েছে ব্যালট পেপারে। ইভিএমের পরিবর্তে ব্যালট পেপারে ভোটগ্রহণের দাবিতে বারবার সরব হয়েছে কংগ্রেস। সেই প্রেক্ষাপটেই কংগ্রেসকে নিশানা করে এক্স-এ পোস্ট করেছেন প্রধানমন্ত্রী।
মোদির পোস্টে লেখা, “উত্তরপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, বিহার ও কর্ণাটক—এই চারটি বড় রাজ্যের ২৮টি আসনে এমএলসি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচনগুলি হয়েছে ব্যালট পেপারের মাধ্যমে। বলুন তো, কংগ্রেস কয়টি আসন জিতেছে?”
এই নির্বাচনকে ঘিরে কংগ্রেসের ফলাফল নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে কর্ণাটকের একটি আসনেও কংগ্রেস প্রার্থীরা জিততে পারেননি বলে দাবি করা হয়েছে। ইভিএমে কারচুপির অভিযোগ তুলে ব্যালট পেপারে ভোটের দাবি জানিয়ে আসা কংগ্রেসের উদ্দেশেই মোদির এই মন্তব্য বলে মনে করা হচ্ছে।
নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়েও বিতর্ক
এদিকে, নির্বাচন কমিশনের অভ্যন্তরীণ কার্যপদ্ধতি নিয়ে ‘ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’-এ প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনকে কেন্দ্র করে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অধীনে গত ১০ মাসে ‘স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন’ বা এসআইআর প্রক্রিয়ার বিভিন্ন সিদ্ধান্ত ও নির্দেশের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু এবং বিবেক জোশী মোট ১৪ বার আনুষ্ঠানিকভাবে আপত্তি জানিয়েছিলেন।
প্রতিবেদনটি প্রকাশ্যে আসার পর কংগ্রেস ফের ব্যালট পেপারে ভোটগ্রহণের দাবি জোরালো করেছে। অন্যদিকে, চার রাজ্যের বিধান পরিষদ নির্বাচনের ফলাফলকে সামনে রেখে ব্যালট পেপারে ভোট হলেও কংগ্রেসের সাফল্য কোথায়, সেই প্রশ্ন তুলেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি।
ভোটপ্রক্রিয়া ও নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে রাজনৈতিক তরজা অব্যাহত থাকলেও, মোদির এই পোস্টকে কেন্দ্র করে বিজেপি ও কংগ্রেসের সংঘাত আরও একবার সামনে এল।



















