মুর্শিদাবাদ:
রেজিনগর উপনির্বাচনে শোচনীয় ফলাফলের পর ফের বিতর্কিত মন্তব্য নওদার বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের। ভারত ছেড়ে দুবাই চলে যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করে তিনি বলেন, “ভারত ছেড়ে দুবাই চলে যাব। এখন আমার কাজ বাবরি মসজিদ করা।” পরাজয়ের পরেও নিজের পরিচিত ভঙ্গিতে হুঙ্কার দিতে ছাড়েননি তিনি।
বাবরি মসজিদের শিলান্যাস অনুষ্ঠানকে ঘিরে আগেই তৈরি হয়েছিল বিতর্ক। কর্মসূচিতে যোগ দিতে সৌদি আরব থেকে দুই ‘ক্বারি’ বা ধর্মীয় আবৃত্তিকার আসবেন বলে আয়োজকদের তরফে জানানো হয়েছিল। কিন্তু অনুষ্ঠান ঘিরে পরে অভিযোগ ওঠে, ওই দুই ধর্মগুরু আদতে সৌদি আরবের বাসিন্দা নন। তাঁরা এ রাজ্যেরই বাসিন্দা—একজন মুর্শিদাবাদের এবং অন্যজন পূর্ব মেদিনীপুরের। এই অভিযোগ হুমায়ুন কবীরও স্বীকার করেছেন বলে জানা গিয়েছে।
২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নওদা ও রেজিনগর—দুই কেন্দ্র থেকেই জয়ী হয়েছিলেন হুমায়ুন কবীর। পরে রেজিনগর আসন থেকে তাঁর পদত্যাগের জেরে গত ৬ অক্টোবর ওই কেন্দ্রে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ভোটের ফল প্রকাশের পর দেখা যায়, রেজিনগরে বিজেপি প্রার্থী বিপুল ভোট পেয়েছেন। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বিজেপি প্রার্থী ১ লক্ষ ২৯ হাজার ৭২৪টি ভোট পেয়েছেন। ফলে অল্প সময়ের ব্যবধানে রেজিনগরে বিজেপির ভোট উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।
উপনির্বাচনের এই ফল হুমায়ুন কবীরের রাজনৈতিক অবস্থান এবং তাঁর সাম্প্রতিক কর্মসূচি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। তবে পরাজয়ের পর দুবাই যাওয়ার মন্তব্যের পাশাপাশি বাবরি মসজিদ নির্মাণের কাজ চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।




















