রেজিনগর
মঙ্গলবার সকাল থেকেই রেজিনগর বিধানসভা উপনির্বাচন ঘিরে উত্তেজনা। ভোটগ্রহণ শুরুর পর স্বপরিবারে নিজের বুথে গিয়ে ভোট দেন আম জনতা উন্নয়ন পার্টির (AJUP) নেতা তথা নওদার বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। ভোট দিয়ে বেরিয়েই পুলিশের ভূমিকা নিয়ে একাধিক অভিযোগ তোলেন তিনি। তাঁর দাবি, সকাল থেকেই পুলিশের মদতে ভোট লুঠ চলছে। তবে এই অভিযোগের স্বাধীন কোনও প্রমাণ এখনও সামনে আসেনি।
হুমায়ুন কবীরের অভিযোগ, ভোটগ্রহণ শুরুর আগেই তাঁর বাড়ির চারপাশে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছিল। সেই পরিস্থিতির মধ্যেই পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে নিজের বুথে ভোট দিতে যান তিনি। এরপর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে সরব হন AJUP নেতা।
ভোট দিয়ে বেরিয়ে হুমায়ুন অভিযোগ করেন, পুলিশের উপস্থিতিতেই ভোটারদের প্রভাবিত করা হচ্ছে। তাঁর দাবি, রেজিনগরের বিভিন্ন বুথে ভোট লুঠ চলছে এবং পুলিশ-প্রশাসনের একাংশ এতে মদত দিচ্ছে। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকেও নিশানা করেন।
এদিন নিজের বক্তব্যে হুমায়ুন কবীর আরও বলেন, পরিস্থিতি নিয়ে তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধীর সঙ্গে যোগাযোগ করবেন। একইসঙ্গে ভোটের পরিবেশ নিয়ে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।
রেজিনগরে ভোটের আগে থেকেই পুলিশের ভূমিকা নিয়ে অভিযোগ করে আসছেন হুমায়ুন কবীর। এর আগেও প্রচারপর্বে পুলিশ তাঁর কর্মী-সমর্থকদের বাধা দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেছিলেন AJUP নেতা। ভোটের আগের দিনও তিনি পুলিশ-প্রশাসনের একাংশের বিরুদ্ধে ভোট লুঠের পরিকল্পনার অভিযোগ তুলেছিলেন।
এদিকে রেজিনগরে শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছে নির্বাচন কমিশন। কেন্দ্রীয় বাহিনী ও রাজ্য পুলিশের একাধিক স্তরের নিরাপত্তা মোতায়েন রয়েছে। রেজিনগরে মোট ৩১৫টি ভোটগ্রহণ কেন্দ্র রয়েছে এবং এই কেন্দ্রের ভোট গণনা হবে ৯ অক্টোবর।
ফলে ভোটের শুরুতেই হুমায়ুন কবীরের তোলা অভিযোগকে ঘিরে রেজিনগরের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়েছে। তাঁর অভিযোগের বিষয়ে প্রশাসন বা নির্বাচন কমিশনের তরফে কোনও নির্দিষ্ট প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেলে পরিস্থিতি আরও স্পষ্ট হবে।




















