কলকাতা: সোমবার কলকাতায় বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীনের নেতৃত্বে মহামিছিলের আয়োজন করতে চলেছে গেরুয়া শিবির। কলেজ স্ট্রিট থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত এই মিছিল হওয়ার কথা। ‘গণতন্ত্র বাঁচাও, অরাজকতা হটাও’—এই স্লোগানকে সামনে রেখেই পথে নামবেন বিজেপি নেতা-কর্মীরা। মিছিলে রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য-সহ দলের একাধিক প্রথম সারির নেতার উপস্থিত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। উপস্থিত থাকতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও।
এর আগে বুধবার দিল্লির রাজপথে একই ধরনের একটি মিছিলের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন নিতিন নবীন। বিজেপি সূত্রে খবর, নির্বাচিত সরকারকে ফেলার জন্য বিরোধী শক্তিগুলি একজোট হয়ে ষড়যন্ত্র করছে বলে অভিযোগ দলের। সেই অভিযোগের বিরুদ্ধেই সাধারণ মানুষকে সচেতন করার লক্ষ্য নিয়ে কলকাতায় এই কর্মসূচির আয়োজন।
রাজনৈতিক মহলে এই মিছিলের সময় নিয়েও চর্চা শুরু হয়েছে। আগামী ১ নভেম্বর দিল্লির রামলীলা ময়দানে বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’-র মহাসমাবেশ হওয়ার কথা। তার ঠিক পরের দিনই বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতির কলকাতায় উপস্থিতি এবং মিছিলে নেতৃত্ব দেওয়াকে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
অন্যদিকে, নির্বাচন কমিশনের ‘স্পেশাল ইন্টেনসিভ রিভিশন’ বা SIR প্রক্রিয়া বাতিল এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লিতে মহাসমাবেশের ডাক দিয়েছে বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’। সেই কর্মসূচিকে সফল করতে বৃহস্পতিবার সকালে সমাজমাধ্যমে একটি ভিডিও বার্তা পোস্ট করেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী।
বার্তায় রাহুল জানান, রামলীলা ময়দানের এই কর্মসূচি শুধুমাত্র রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে নয়। তাঁর বক্তব্য, এর মূল লক্ষ্য গণতন্ত্র রক্ষা, ভোটের কারচুপি বন্ধ করা এবং দেশের সংবিধানকে সুরক্ষিত রাখা। ফলে একদিকে দিল্লিতে বিরোধী জোটের মহাসমাবেশ, অন্যদিকে কলকাতায় বিজেপির মহামিছিল—দুই কর্মসূচিকে ঘিরেই জাতীয় ও রাজ্য রাজনীতিতে উত্তাপ বাড়ছে।



















