নয়াদিল্লি: ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে জয়ের পরও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নরেন্দ্র মোদিই লালকেল্লা থেকে স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করবেন। অন্যদিকে, রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে কংগ্রেস এখন অন্তিম পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে। চার রাজ্যের বিধান পরিষদ নির্বাচনে দলের ভালো ফলের পর এমনই দাবি করলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীন।
দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা, দিল্লি বিজেপির সভাপতি হর্ষ মালহোত্রা এবং বিপুল সংখ্যক দলীয় কর্মীর উপস্থিতিতে চাঁদনি চক এলাকায় বিজেপির ‘লোকতন্ত্র বাঁচাও, অরাজকতা হঠাও’ মিছিলে নেতৃত্ব দেন নীতিন নবীন। জৈন লাল মন্দির থেকে শুরু হয়ে মিছিলটি যায় টাউন হল চক পর্যন্ত।
মিছিল থেকে দলীয় কর্মীদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়েও কংগ্রেসকে নিশানা করেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি। তাঁর দাবি, ভোটার তালিকা সংশোধনের চলতি প্রক্রিয়া নিয়ে কংগ্রেস নেতারা উদ্বিগ্ন। অন্যদিকে, ভোটার তালিকা থেকে অনুপ্রবেশকারীদের নাম বাদ দিতে বিজেপি বদ্ধপরিকর।
বিভিন্ন রাজ্যে এসআইআর প্রক্রিয়ার বিরোধিতা করার জন্য রাহুল গান্ধী ও কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ করেন নীতিন নবীন। তাঁর অভিযোগ, সংবিধানের সঙ্গে রাহুল গান্ধীর কোনও সম্পর্ক নেই। কংগ্রেস কেবল রাহুল গান্ধী বা তাঁর পরিবারের নির্দেশ মেনেই চলে।
২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচন নিয়েও আত্মবিশ্বাসী সুর শোনা যায় বিজেপি সভাপতির বক্তব্যে। তিনি দাবি করেন, নরেন্দ্র মোদি কোথাও যাচ্ছেন না। ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে জয়ের পর ফের লালকেল্লায় ফিরে এসে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে স্বাধীনতা দিবসে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন তিনি।
রাহুল গান্ধীকে কটাক্ষ করে নীতিন নবীন বলেন, তাঁর নেতৃত্বে কংগ্রেস এখন শেষের দিন গুনছে। দল পরিচালনার ধরন দেখে তাঁর মনে হচ্ছে, খুব শীঘ্রই কংগ্রেসে একমাত্র কর্মী হিসেবে রাহুল গান্ধীই অবশিষ্ট থাকবেন।
বিজেপির এই মিছিল ও নীতিন নবীনের বক্তব্যকে কেন্দ্র করে জাতীয় রাজনীতিতে বিজেপি-কংগ্রেস সংঘাত আরও একবার সামনে এল।



















