প্রায় এক বছর বন্ধ থাকার পর খুলল উত্তর সিকিমের লাচেন ও গুরুদংমার হ্রদের রাস্তা

প্রায় এক বছর বন্ধ থাকার পর খুলল উত্তর সিকিমের লাচেন ও গুরুদংমার হ্রদের রাস্তা

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram


অফ বিট – ভরা বসন্তে যারা বরফে ঢাকা অমর্ত্য ভূমিতে ভ্রমণ পছন্দ করেন তাদের জন্য সুখবর! প্রায় এক বছর বন্ধ থাকার পর সোমবার খুলছে উত্তর সিকিমের লাচেন এবং গুরুদংমার হ্রদের রাস্তা। রবিবার সিকিম প্রশাসনের তরফে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই পর্যটক এবং ট্রাভেল এজেন্সিগুলির জন্য পারমিট ইস্যু শুরু হয়েছে। সরকারি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী পর্যটকরা মঙ্গন জেলাশাসকের মাধ্যমে অথবা অনুমোদিত ট্রাভেল অপারেটরদের মাধ্যমে পারমিটের জন্য আবেদন করতে পারবেন।
২০২৫ সালের জুন মাসে ভারী বৃষ্টিপাত ও ভূমিধসে উত্তর সিকিমের রাস্তা ও সেতুগুলি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ওই কারণে লাচেন ও গুরুদংমার হ্রদে যাওয়ার রাস্তা বন্ধ রাখা হয়। ১৭ হাজার ফুট উচ্চতায় অবস্থিত গুরুদংমার হ্রদ ভারতের সর্বোচ্চ হ্রদগুলির মধ্যে একটি। বহু পর্যটক দীর্ঘদিন ধরে এই স্বপ্নের হ্রদ দেখতে আশায় ছিলেন।
উত্তর সিকিমের জেলাশাসক অনন্ত জৈন জানিয়েছেন, চুংথাং থেকে লাচেন যাতায়াতের রাস্তা আগে বন্ধ করা হয়েছিল, কারণ সেখানে একটি সেতু নির্মাণাধীন ছিল। সম্প্রতি চুংথাং-লাচেন রোডের উপর তারাম চু নদীতে ১২ টন ভার বহন ক্ষমতা সম্পন্ন চারশো ফুট দীর্ঘ বেইলি সাসপেনশন সেতুটি উদ্বোধন হয়েছে। সেতু দিয়ে যান চলাচল শুরু হয়েছে, তবে একসঙ্গে একাধিক গাড়ি পার হতে পারবে না; একবারে শুধু একটি গাড়ি পার হতে পারবে।
উত্তর সিকিমের মঙ্গন জেলায় গুরুদংমার হ্রদ ১৭ হাজার ৮০০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত। ভারত-চিন সীমান্তের কাছে এই হ্রদ বৌদ্ধ, হিন্দু এবং শিখ ধর্মের কাছে অত্যন্ত পবিত্র। বরফে ঢাকা হিমালয় এবং স্বচ্ছ নীল জলরাশি পর্যটকদের মুগ্ধ করে। লাচেন থেকে গুরুদংমার হ্রদের দূরত্ব প্রায় ৭০ কিলোমিটার। বিশ্বাস করা হয়, তিব্বতীয় বৌদ্ধ ধর্মের প্রতিষ্ঠাতা গুরু পদ্মসম্ভব এবং শিখ ধর্মের গুরু নানক দেবজি এই হ্রদ পরিদর্শন করেছিলেন।
এপ্রিল থেকে জুন এবং অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর মাসে এই হ্রদ দেখার সেরা সময়। উচ্চতার কারণে অক্সিজেনের মাত্রা কম থাকে, তাই শ্বাসকষ্ট হতে পারে। প্রয়োজন হলে পর্যটকদের সঙ্গে অক্সিজেন সিলিন্ডার রাখা উচিত।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top