খেলা – গুজরাত টাইটান্সের বিরুদ্ধে ভয়াবহ ব্যাটিং বিপর্যয়ের মুখে পড়ল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। দেবদত্ত পাড়িক্কল ৪০ ও বিরাট কোহলি ২৮ রান করলেও বাকি ব্যাটাররা গুজরাতের বোলিং আক্রমণের সামনে কার্যত আত্মসমর্পণ করেন। শেষ পর্যন্ত ১৯.২ ওভারে মাত্র ১৫৫ রানেই অলআউট হয়ে যায় বেঙ্গালুরু। গুজরাতের হয়ে আর্শাদ খান দুরন্ত বোলিং করে ৩.২ ওভারে ২২ রান দিয়ে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট তুলে নেন।
বৃহস্পতিবার আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে বেঙ্গালুরুকে ব্যাটিংয়ে পাঠান গুজরাতের অধিনায়ক শুভমন গিল। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে ছিলেন বিরাট কোহলি, যদিও উইল জ্যাকস খানিকটা ধীরস্থির ছিলেন। তৃতীয় ওভারে মোহাম্মদ সিরাজের বলে ৫ রান করে ফেরেন জ্যাকস। এর পরের ওভারেই কাগিসো রাবাডার বলে আউট হন কোহলি, তিনি ১৩ বলে ২৮ রান করেন।
এরপর দেবদত্ত পাড়িক্কল ও অধিনায়ক রজত পাতিদার তৃতীয় উইকেটে জুটি বেঁধে দলকে কিছুটা স্থিতি দেন। পাওয়ার প্লে শেষে বেঙ্গালুরুর স্কোর ছিল ২ উইকেটে ৫৯। কিন্তু অষ্টম ওভারে আর্শাদ খানের বলে ১৯ রান করে আউট হন পাতিদার, এবং সেখান থেকেই শুরু হয় পতন। একের পর এক উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বেঙ্গালুরু।
জিতেশ শর্মা ১, টিম ডেভিড ৯ ও ক্রুণাল পাণ্ড্য ৪ রান করে দ্রুত সাজঘরে ফেরেন। মাত্র ১৭ রানের ব্যবধানে চার উইকেট হারিয়ে চরম সঙ্কটে পড়ে দল। এরপর রোমারিও শেফার্ডকে সঙ্গে নিয়ে কিছুটা লড়াইয়ের চেষ্টা করেন পাড়িক্কল। সপ্তম উইকেটে দুজনে ৩০ রান যোগ করেন। তবে ১৪তম ওভারে রশিদ খানের বলে বোল্ড হয়ে ২৪ বলে ৪০ রান করে আউট হন পাড়িক্কল। পরের বলেই ফেরেন শেফার্ড, তিনি করেন ১৪ বলে ১৭ রান।
১২৬ রানেই ৮ উইকেট হারানোর পর নবম উইকেটে বেঙ্কটেশ আইয়ার ও ভুবনেশ্বর কুমার দলকে খানিকটা এগিয়ে নিয়ে যান। তাঁদের জুটিতে বেঙ্গালুরু ১৫০ রানের গণ্ডি পার করে। শেষ ওভারে আর্শাদ খানের বলে ১২ রান করে আউট হন আইয়ার, এবং পরের বলেই রান আউট হয়ে ফেরেন জস হেজলউড। ভুবনেশ্বর কুমার ১৫ রানে অপরাজিত থেকে যান।




















