সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ, ভোট ঘোষণা পিছোবে না: SIR মামলা

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ, ভোট ঘোষণা পিছোবে না: SIR মামলা

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram


দিল্লি – মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে এসআইআর (SIR Supreme Court) মামলা নিয়ে সবচেয়ে বেশি কৌতূহল ছিল, ভোট ঘোষণা পিছোবে কি না। অনেকেই ভেবেছিলেন, ৬০ লক্ষ আবেদন এখনও বিবেচনাধীন থাকায় শীর্ষ আদালত নোটিফিকেশন পিছিয়ে দিতে পারে। তবে শুনানিতে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বে তিন বিচারপতির বেঞ্চ জানিয়েছে, জাতীয় নির্বাচন কমিশন (West Bengal Election date) ভোটের নোটিফিকেশন জারি করতে পারে।
৬০ লক্ষ আবেদন এখনও এডজুডিকেশন বা বিবেচনার তালিকায় রয়েছে। কলকাতা হাইকোর্টের তত্ত্বাবধানে জুডিশিয়াল অফিসাররা এ আবেদনগুলো খতিয়ে দেখছেন। সুপ্রিম কোর্টে একটি স্ট্যাটাস রিপোর্টে জানানো হয়েছে, এ পর্যন্ত ১০ লক্ষ আবেদন নিষ্পত্তি হয়েছে। এর মধ্যে ৩ লক্ষ ৪ হাজার আবেদন খারিজ করা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, নোটিফিকেশন জারি হওয়ার পর দেখা হবে স্ট্যাটাস কী, তার পর প্রয়োজন মতো ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মোট কথা, ভোটের দিন ঘোষণা করতে এখন নির্বাচন কমিশনের সামনে কোনও বাধা নেই। ফলে ৬০ লক্ষ আবেদনের নিষ্পত্তি না হলে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হবে, এমন জল্পনাও খারিজ হয়ে গেছে। মামলাকারীদের পক্ষের আইনজীবী বলেছিলেন, ৬০ লক্ষ আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তি না হলে ২০২৫ সালের ভোটার তালিকা অনুযায়ীই ভোট হোক। সুপ্রিম কোর্ট এই আবেদনে গুরুত্ব দেননি।
ভোট ঘোষণা কবে হতে পারে, তা নিয়েও কৌতূহল রয়েছে। রাজ্য প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠকে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার ১৬ মার্চ একটি তারিখ উল্লেখ করেছিলেন। যদিও স্পষ্টভাবে ঘোষণা করা হয়নি, প্রশাসনের মধ্যে মনে করা হচ্ছে, সোমবার ভোট ঘোষণা হতে পারে।
৬০ লক্ষ আবেদনের ভবিষ্যৎ কী হবে, তা নিয়েও প্রশ্ন রয়ে গেছে। জুডিশিয়াল অফিসাররা ইতিমধ্যেই ১০ লক্ষ আবেদনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। যাদের আপত্তি নিষ্পত্তি হয়েছে, তাঁদের নাম কবে সাপ্লিমেন্টারি ভোটার তালিকায় প্রকাশ হবে, তা নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, রাজ্য সরকার ও নির্বাচন কমিশন কলকাতা হাইকোর্টের কাছে যেতে পারে। হাই কোর্টই এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।
শীর্ষ আদালত এদিন একটি অন্তর্বর্তী নির্দেশও দিয়েছে। ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়ায় যাদের নাম বাদ গেছে এবং যাদের আবেদন খারিজ হয়েছে, তাঁদের জন্য একটি স্বাধীন আপিল ট্রাইব্যুনাল গঠনের নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। হাইকোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি ও বিচারপতিরা এই ট্রাইব্যুনালে থাকবেন। প্রয়োজনে প্রতিবেশী রাজ্যের প্রাক্তন বিচারপতিদেরও অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট করেছে, জুডিশিয়াল অফিসারদের সিদ্ধান্ত কোনও প্রশাসনিক সংস্থার কাছে চ্যালেঞ্জ করা যাবে না, ট্রাইব্যুনালের কাছেই যেতে হবে।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top