নেতাজি ইন্ডোরে ইভিএম বিতর্ক, তৃণমূলের অভিযোগ খারিজ কমিশনের

নেতাজি ইন্ডোরে ইভিএম বিতর্ক, তৃণমূলের অভিযোগ খারিজ কমিশনের

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram


রাজ্য -;নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামের স্ট্রং রুমকে ঘিরে নিরাপত্তাহীনতা ও কারচুপির অভিযোগ তুলে সরব হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চরম উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। তবে তৃণমূলের সমস্ত অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল। একইসঙ্গে তৃণমূলের এক্স হ্যান্ডেলে শেয়ার করা ভিডিওকেও ‘ভুয়ো’ বলে দাবি করা হয়েছে সিইও-র তরফে।
রাতেই সাংবাদিক বৈঠক করে মনোজ আগরওয়াল জানান, পোস্টাল ব্যালট বাছাইয়ের কাজ সম্পূর্ণ নিয়ম মেনেই চলছে এবং এই বিষয়ে আগেই ইমেলের মাধ্যমে রাজনৈতিক দল ও বেলেঘাটার ১৩ জন প্রার্থীকে জানানো হয়েছিল। তাঁর বক্তব্য, স্ট্রং রুম সম্পূর্ণ সিল করা রয়েছে এবং কয়েকজন সহকারী রিটার্নিং অফিসার ব্যালট আলাদা করার কাজ করছিলেন। সেই দৃশ্য দেখেই ভুলভাবে কারচুপির অভিযোগ তোলা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।
তিনি আরও জানান, একাধিক কেন্দ্রের ইভিএম ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে সংরক্ষিত রয়েছে। সেখানে থাকা পোস্টাল ব্যালট আলাদা করার কাজ চলছিল এবং তা সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট সকলকে আগে থেকেই অবহিত করা হয়েছিল। তবুও সেই ভিডিও ঘিরেই অযথা বিতর্ক তৈরি করা হয়েছে বলে দাবি কমিশনের। মনোজ আগরওয়াল স্পষ্ট করেন, কড়া নিরাপত্তার মধ্যে স্ট্রং রুম সম্পূর্ণ সুরক্ষিত এবং অকারণে অশান্তির পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে।
অন্যদিকে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর ভবানীপুরের স্ট্রং রুম শাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলে পৌঁছন তৃণমূল নেত্রী তথা প্রার্থী মমতা ব্যানার্জি। এই প্রসঙ্গে সিইও জানান, কোনও প্রার্থী নিজের কেন্দ্রের স্ট্রং রুমে যেতে পারেন, এতে কোনও বাধা নেই।
এর আগে বেলেঘাটার তৃণমূল প্রার্থী কুণাল ঘোষ এবং শ্যামপুকুরের প্রার্থী শশী পাঁজা অভিযোগ করেন, ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের স্ট্রং রুমে নিয়ম বহির্ভূতভাবে বহিরাগতদের প্রবেশ করতে দেখা গিয়েছে। একটি সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ করে তাঁরা দাবি করেন, অজানা ব্যক্তিরা ভিতরে ঘোরাফেরা করছেন। এই ঘটনার প্রতিবাদে কেন্দ্রের সামনে ধর্নায় বসেন তাঁরা।
ধর্না চলাকালীন ঘটনাস্থলে পৌঁছন বিজেপি প্রার্থী তাপস রায় ও সন্তোষ পাঠক। এরপরই দুই পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে বচসা শুরু হয় এবং পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। শেষ পর্যন্ত পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী হস্তক্ষেপ করলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে এবং ধর্না তুলে নেন কুণাল ঘোষ ও শশী পাঁজা।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top