রাজ্য – দু’দফায় সম্পন্ন হয়েছে বাংলার ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচন। গোটা নির্বাচন প্রক্রিয়া মোটের উপর নির্বিঘ্নেই মিটেছে বলে মনে করা হচ্ছে। এরপরেই দেশজুড়ে সামনে এসেছে একাধিক এক্সিট পোলের ফলাফল। বেশিরভাগ সমীক্ষাতেই ইঙ্গিত মিলেছে, বাংলার ক্ষমতায় বিজেপি আসতে পারে, অথবা তৃণমূলের সঙ্গে হতে পারে তীব্র হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। তবে এই সমস্ত এক্সিট পোলকে একেবারেই গুরুত্ব দিতে নারাজ রাজ্যের বিদায়ী বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর মতে, বাস্তব অভিজ্ঞতার উপর ভিত্তি করেই ফলাফল অনুমান করা উচিত।
বৃহস্পতিবার এই প্রসঙ্গে মুখ খুলে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, তাঁর এক্সিট পোল দেখার কোনও প্রয়োজন নেই। তিনি ‘প্র্যাক্টিক্যাল পোল’-এর উপর ভরসা করেন এবং সেখান থেকেই তাঁর স্পষ্ট দাবি, বাংলায় এবার বিজেপিই ক্ষমতায় আসছে। তাঁর বক্তব্য, ২০১১ সালের নির্বাচনেও এতটা সরকার বিরোধী হাওয়া দেখা যায়নি, যতটা এবারের ভোটে রাজ্যে তৈরি হয়েছে।
একইসঙ্গে নিজের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়েও আত্মবিশ্বাসী শুভেন্দু। তিনি জানিয়েছেন, ভবানীপুর ও নন্দীগ্রাম—এই দুই কেন্দ্রেই জয়ের ব্যাপারে তিনি নিশ্চিত। এদিন নন্দীগ্রামের রেয়াপাড়ায় দলীয় কার্যালয়ে বসে কর্মীদের সঙ্গে ভোটের হিসাব-নিকাশ করেন তিনি। এরপর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন বিজেপি নেতা।
ভোটের দিন নন্দীগ্রামে যেমন সক্রিয় ভূমিকায় দেখা গিয়েছিল তাঁকে, তেমনই ভবানীপুরেও দ্বিতীয় দফার ভোটে ভিন্ন মেজাজে নজরে পড়েন শুভেন্দু। সকাল থেকেই বিভিন্ন বুথে ঘুরে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন তিনি। চক্রবেড়িয়ায় একসময় তাঁর মুখোমুখি হন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পরে কালীঘাট এলাকায় তাঁকে ঘিরে তৃণমূল কর্মীদের বিক্ষোভ শুরু হয়, যা ঘিরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এলাকাজুড়ে।



















