নয়াদিল্লি
মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন জোরদার করার মধ্যেই নিজেদের গ্রেফতারের আশঙ্কার কথা জানালেন ককরোচ জনতা পার্টি বা CJP-র সহ-আহ্বায়ক সৌরভ দাস। সোমবার সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে তিনি দাবি করেন, তাঁকে, অভিজিৎ দিপকে এবং আশুতোষ রাঙ্কাকে গ্রেফতারের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। তবে গ্রেফতারের কোনও সরকারি ঘোষণা বা নিশ্চিত তথ্য এখনও সামনে আসেনি।
জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে ২ অক্টোবর মুম্বইয়ের শিবাজি পার্কে বিক্ষোভ কর্মসূচি শুরু করেছিল CJP। ওই কর্মসূচিতে দলের নেতারা নির্বাচন কমিশনের কাজকর্ম এবং ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা SIR নিয়ে একাধিক অভিযোগ তোলেন। CJP-র অভিযোগগুলি অবশ্য প্রতিষ্ঠিত তথ্য নয়; নির্বাচন কমিশন তাদের কাজকে আইনসঙ্গত বলে জানিয়েছে।
এরই মধ্যে সৌরভ দাসের দাবি, কেন্দ্র তাঁদের গ্রেফতারের পরিকল্পনা করছে। তাঁর বক্তব্য, গ্রেফতার করে আন্দোলন থামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হলেও তা সফল হবে না। নিজের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে তিনি আরও দাবি করেন, সরকার যদি মনে করে এই ধরনের পদক্ষেপের মাধ্যমে আন্দোলনকারীদের দমিয়ে রাখা সম্ভব, তাহলে সেই ধারণা ভুল।
সৌরভের আরও দাবি, তিনি, অভিজিৎ দিপকে এবং আশুতোষ রাঙ্কা গ্রেফতার হওয়ার মতো পরিস্থিতির জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত। তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হলেও আন্দোলন বন্ধ হবে না বলেও বার্তা দিয়েছেন তিনি। একইসঙ্গে দিল্লি পুলিশ ও কেন্দ্রের উদ্দেশে বড় কোনও পদক্ষেপ না করার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন CJP নেতা।
অন্যদিকে, CJP-র আন্দোলন ইতিমধ্যেই মুম্বইয়ের গণ্ডি ছাড়িয়ে দিল্লিতেও ছড়ানোর ঘোষণা করা হয়েছে। ১০ অক্টোবর দিল্লির যন্তর মন্তরে ফের বড় কর্মসূচির ডাক দিয়েছেন CJP-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে।
২ অক্টোবরের কর্মসূচিকে ঘিরে মুম্বইয়ে পুলিশি নিরাপত্তাও জোরদার করা হয়েছিল। একই সময়ে দিল্লিতে পৃথক বিক্ষোভ কর্মসূচিতে বহু আন্দোলনকারীকে আটক করা হয়। ফলে জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিকে কেন্দ্র করে CJP-র আন্দোলন আগামী দিনে কোন পথে যায়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।




















