গুরুগ্রাম:
দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টি (CJP)-র প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দিতে যাওয়ার আগেই গুরুগ্রামের বাড়ি থেকে আটক করা হল জনপ্রিয় ইউটিউবার ধ্রুব রাঠীকে। শনিবার সকালে গুরুগ্রামের সেক্টর ৫৬-এ তাঁর বাড়িতে পৌঁছে তাঁকে আটক করে পুলিশ। পরে মুক্তি পাওয়ার পর গোটা ঘটনাকে ‘অপহরণ’ বলে অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর দাবি, তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেফতার করা হয়নি, বরং জোর করে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।
ঘটনার পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সরকারের সমালোচনা করেও সরব হন ধ্রুব রাঠী। তাঁর অভিযোগ, দেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ ক্রমশ সংকুচিত হচ্ছে এবং ভারতকে একনায়কতন্ত্রের দিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। যদিও এই মন্তব্য তাঁর নিজস্ব রাজনৈতিক অবস্থানের প্রতিফলন।
শনিবার দিল্লির যন্তর মন্তরে CJP-র প্রতিবাদ কর্মসূচি হওয়ার কথা ছিল। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে এই বিক্ষোভের ডাক দেওয়া হয়েছিল। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা SIR প্রক্রিয়ায় অনিয়ম এবং ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া নিয়ে অভিযোগ তুলেছিলেন আন্দোলনকারীরা। সেই কর্মসূচিতে যোগ দিতেই ভারতে এসেছিলেন বিদেশে বসবাসকারী ধ্রুব রাঠী।
পুলিশের বক্তব্য অনুযায়ী, দিল্লিতে বিক্ষোভের অনুমতি না থাকায় এবং নিষেধাজ্ঞা জারি থাকায় ধ্রুবকে কর্মসূচিতে যোগ না দেওয়ার জন্য সতর্ক করা হয়েছিল। কিন্তু তিনি প্রতিবাদে যোগ দেওয়ার অবস্থানে অনড় থাকায় তাঁকে আটক করা হয়। পরে শনিবার গভীর রাতে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয় বলে সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে।
মুক্তির পর সমাজমাধ্যমে ভিডিও বার্তা দিয়ে নিজের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন ধ্রুব রাঠী। তাঁর অভিযোগ, তাঁকে আটক করার পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। অন্যদিকে, পুলিশের দাবি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখতেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছিল। গোটা ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যক্তিস্বাধীনতা, প্রতিবাদের অধিকার এবং প্রশাসনিক পদক্ষেপের সীমা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।




















