কলকাতা
দুর্গাপুজোর আগে সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউট (SRFTI)-এ অশান্তির ঘটনায় এ বার তদন্ত কমিটির রিপোর্ট প্রকাশ্যে এল। রবিবার ১৮ পাতার রিপোর্ট পেশ করেছে প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ তদন্ত কমিটি। রিপোর্টে পড়ুয়াদের আন্দোলনের ধরন, উপাচার্যের দফতর ঘেরাও এবং দুর্ব্যবহারের অভিযোগ নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও স্বামী বিবেকানন্দের ছবিতে থুতু দেওয়া এবং ছবি ছিঁড়ে ফেলার ঘটনার তীব্র নিন্দা করা হয়েছে।
কী বলা হয়েছে তদন্ত রিপোর্টে?
তদন্ত কমিটির মতে, SRFTI-তে যে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল, তা অনভিপ্রেত। রিপোর্টে উপাচার্যের দফতর ঘেরাও করা এবং কর্তৃপক্ষের সঙ্গে পড়ুয়াদের আচরণ নিয়ে সমালোচনা করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানের ভিতরে দীর্ঘদিন ধরে চলা অচলাবস্থার প্রেক্ষিতেই এই রিপোর্ট পেশ করা হয়েছে।
কীভাবে শুরু হয়েছিল অশান্তি?
পড়ুয়াদের অভিযোগ অনুযায়ী, দুর্গাপুজোর আগে বিজেপির একটি শাখা সংগঠনের অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে প্রথমে SRFTI-তে উত্তেজনা ছড়ায়। পরবর্তী সময়ে হিন্দু জাগরণ মঞ্চের কর্মসূচিকে ঘিরেও অশান্তির পরিস্থিতি তৈরি হয়। পরপর দুটি রবিবার কেন্দ্রীয় এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উত্তেজনা ছড়ানোর পর তদন্ত শুরু হয়।
উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন
SRFTI-তে দীর্ঘদিন ধরেই উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন পড়ুয়াদের একাংশ। সেই আন্দোলনের মধ্যেই বহিরাগত সংগঠনের কর্মসূচিকে ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়। এর জেরে প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ সমস্যা এবং পড়ুয়া-কর্তৃপক্ষের সংঘাত সামনে চলে আসে।
তদন্ত কমিটির রিপোর্টে পড়ুয়াদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হলেও, গোটা ঘটনার বিভিন্ন দিক এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলির বক্তব্যের ভিত্তিতে পরিস্থিতি মূল্যায়ন করা গুরুত্বপূর্ণ। রিপোর্ট প্রকাশের পর SRFTI-র চলমান অচলাবস্থা কীভাবে মেটে, এখন সেদিকেই নজর।



















