স্থান: কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ
ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ ১০ জন বিধায়কের বিধায়ক পদ খারিজের দাবি জানিয়ে ফের সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন মমতাপন্থী তৃণমূল বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্রনাথ বসুর বিরুদ্ধে শীর্ষ আদালতে নতুন করে মামলা দায়ের করেছেন তিনি। এই মামলায় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, সন্দীপন সাহা এবং ফিরহাদ হাকিম-সহ মোট ১০ জন বিধায়ককে যুক্ত করা হয়েছে। আগামী সপ্তাহে মামলাটির শুনানি হতে পারে বলে সূত্রের খবর।
এর আগেও একই দাবি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেছিলেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। গত ২৮ সেপ্টেম্বর সেই আবেদনের নিষ্পত্তি করে শীর্ষ আদালত। তবে মামলাটি নিষ্পত্তির আগে আদালত পর্যবেক্ষণ করেছিল, স্পিকারের কাছে আবেদন জমা পড়লে তা বিবেচনা করার জন্য তিন মাস সময় দেওয়া উচিত।
শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের দাবি, গত ৮ জুলাই তিনি বিধানসভার স্পিকারের কাছে এই বিষয়ে চিঠি দিয়েছিলেন। সেই হিসাবে গত ৮ অক্টোবর তিন মাসের সময়সীমা শেষ হয়েছে। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তাঁর আবেদন বিবেচনা করা হয়নি বলেই অভিযোগ। সেই কারণেই ফের সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি।
কী নিয়ে বিতর্ক?
রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণে পরিবর্তনের পর তৃণমূলের একাংশের সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের দূরত্ব তৈরি হয়। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে পৃথক শিবির গড়ে ওঠে। ওই শিবির নিজেদের ‘আসল তৃণমূল’ বলে দাবি করলেও মমতাপন্থী কালীঘাট শিবির সেই দাবি মেনে নিতে নারাজ।
এই রাজনৈতিক বিভাজনের জেরেই সংশ্লিষ্ট বিধায়কদের পদ খারিজের দাবি উঠেছে বলে মামলার প্রেক্ষাপট থেকে জানা যাচ্ছে। এখন সুপ্রিম কোর্টে মামলাটির শুনানিতে কী হয় এবং স্পিকারের কাছে জমা দেওয়া আবেদনের বিষয়ে কী পদক্ষেপ করা হয়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।




















