কলকাতা:
‘গুন্ডাদমন’ বিল নয়, ‘গুন্ডা’ শব্দের ব্যবহারই হয়নি—শুক্রবার রাতে এমন দাবি করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর বক্তব্যের পরদিনই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক জানাল, পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপালের মাধ্যমে সংরক্ষিত ‘পশ্চিমবঙ্গ জননিরাপত্তা ও সমাজবিরোধী কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ বিল, ২০২৬’ রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর বিবেচনা ও অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, বিলটি ইতিমধ্যেই কেন্দ্রের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রক ও দফতরগুলির কাছে পর্যালোচনা এবং মতামতের জন্য পাঠানো হয়েছিল।
এর আগে শুক্রবার সংবাদ সংস্থা পিটিআই-সহ বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল, রাষ্ট্রপতি বিলটি পুনর্বিবেচনার জন্য ফেরত পাঠিয়েছেন। প্রতিবেদনে বলা হয়, বিলের একটি ধারায় মাদক সংক্রান্ত অপরাধকে অন্তর্ভুক্ত করার সঙ্গে কেন্দ্রীয় NDPS আইন এবং মাদক পাচার প্রতিরোধ সংক্রান্ত কেন্দ্রীয় আইনের ব্যবস্থার মধ্যে সম্ভাব্য সংঘাতের বিষয়টি সামনে এসেছে। সেই সূত্রে কেন্দ্রের তরফে সংশ্লিষ্ট অংশটি পুনর্বিবেচনার কথাও বলা হয়েছে।
তবে সেই দাবি খারিজ করে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, বিলটি রাষ্ট্রপতির কাছে পৌঁছয়নি এবং এখনও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের বিবেচনাধীন। তাঁর দাবি, ‘গুন্ডা’ শব্দটি সংবাদমাধ্যমের তৈরি এবং বিলটি নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, বিলটির দুটি অংশ রয়েছে—এর মধ্যে সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা এবং ক্ষতিপূরণের অর্থ সুদ-সহ আদায়ের মতো কয়েকটি ব্যবস্থা ইতিমধ্যেই কার্যকর হয়েছে বলে তাঁর দাবি।
এদিকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের শনিবারের বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে, বিলটি রাষ্ট্রপতির বিবেচনা ও অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছে এবং এখনও পর্যালোচনার প্রক্রিয়ার মধ্যেই রয়েছে। ফলে বিলটি নিয়ে শুক্রবারের ‘ফেরত পাঠানো’ সংক্রান্ত দাবি এবং মুখ্যমন্ত্রীর অস্বীকারের পর নতুন করে কেন্দ্রের অবস্থান সামনে এল।




















