নয়াদিল্লি: উৎসবের মরসুমের আগে চিনির দাম বৃদ্ধি এবং সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগের আবহে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্রীয় সরকার। অভ্যন্তরীণ বাজারে চিনির জোগান স্বাভাবিক রাখতে ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের জন্য ইথানল উৎপাদনে চিনির ব্যবহার বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। নতুন টেন্ডারে চিনি ব্যবহার করে ইথানল উৎপাদনের অনুমতি শূন্যে নামিয়ে আনা হয়েছে।
এই সিদ্ধান্তের ফলে ইথানল উৎপাদনের ক্ষেত্রে আখের রস, চিনির সিরাপ এবং বি-হেভি মোলাসেস ব্যবহারের সুযোগও থাকছে না বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। সরকারের মূল লক্ষ্য, ইথানল তৈরির পরিবর্তে আরও বেশি পরিমাণ আখ থেকে চিনি উৎপাদন করা এবং দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে তার সরবরাহ বজায় রাখা।
উল্লেখ্য, দেশের চিনি উৎপাদন নিয়ে ইতিমধ্যেই উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। আখ উৎপাদনকারী প্রধান রাজ্য মহারাষ্ট্র ও কর্ণাটকে প্রতিকূল আবহাওয়া এবং অপর্যাপ্ত বৃষ্টিপাতের কারণে উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। আগের মরসুমের শুরুতেও চিনি উৎপাদনের পরিমাণ নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছিল।
এই পরিস্থিতিতে উৎসবের মরসুমে চিনির জোগানে যাতে ঘাটতি না হয় এবং বাজারে দামের উপর চাপ কমানো যায়, সেই লক্ষ্যেই কেন্দ্রের এই পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে। তবে এই সিদ্ধান্তের ফলে বাস্তবে চিনির উৎপাদন, সরবরাহ ও খুচরো দামে কতটা প্রভাব পড়ে, এখন সেদিকেই নজর থাকবে।




















