রাহুলের পাশে আইসা নেত্রী নেহা বোরা, অসন্তোষ এনএসইউআইয়ের একাংশে! হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের নাম বদলে ‘উই দ্য ছোটু’

রাহুলের পাশে আইসা নেত্রী নেহা বোরা, অসন্তোষ এনএসইউআইয়ের একাংশে! হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের নাম বদলে ‘উই দ্য ছোটু’

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram



নয়াদিল্লি: কংগ্রেসের বিভিন্ন কর্মসূচি ও মঞ্চে বামপন্থী ছাত্র সংগঠন অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন (আইসা)-এর সভানেত্রী নেহা বোরার উপস্থিতি ঘিরে দলের ছাত্র সংগঠন ন্যাশনাল স্টুডেন্টস ইউনিয়ন অফ ইন্ডিয়া (এনএসইউআই)-এর একাংশের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে বলে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত নেহা বোরাকে গুরুত্ব দেওয়া নিয়েই এই ক্ষোভ বলে জানা গিয়েছে।

এনডিটিভির সূত্রের দাবি, অসন্তুষ্ট এনএসইউআইয়ের এক সদস্য সংগঠনের একটি আনুষ্ঠানিক হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের নাম বদলে তিন দিনের জন্য ‘উই দ্য ছোটু’ রাখেন। হিন্দি শব্দ ‘ছোটু’ সাধারণত ছোট বা ফরমাশ খাটার লোক বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। গ্রুপের নাম পরিবর্তনকে ঘিরে সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়। পরে এনএসইউআইয়ের পদাধিকারীরা রাহুল গান্ধীর সঙ্গে দেখা করে তাঁদের অভিযোগ জানান। অভিযোগের সুরাহার পর গ্রুপটির নাম ফের আগের অবস্থায় ফিরিয়ে দেওয়া হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

গত ১২ অক্টোবর নির্বাচনী কারচুপির অভিযোগ তুলে সুপ্রিম কোর্টের দিকে বিরোধী ‘ইন্ডিয়া’ জোটের নেতাদের মিছিলের সময়ও আলোচনায় উঠে আসেন নেহা বোরা। মিছিলের সামনের সারিতে রাহুল গান্ধীর পাশে ছিলেন তাঁর বোন তথা কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ভঢরা এবং নেহা বোরা। রাহুলের ডান দিকে থাকা নেহাকে পরে শীর্ষ নেতাদের বহনকারী বাসেও দেখা যায়। রাহুলের নেতৃত্বে কয়েকজন নেতা যে ট্রাকে উঠেছিলেন, সেখানেও উপস্থিত ছিলেন তিনি। সেই কর্মসূচিতে এনএসইউআইয়ের জাতীয় সভাপতি বিনোদ জাখর-সহ সংগঠনের একাধিক পদাধিকারীও ছিলেন।

এনডিটিভির সূত্রের দাবি, দলের আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা নেওয়া সত্ত্বেও অন্য ছাত্র সংগঠনের নেত্রীকে সামনের সারিতে জায়গা দেওয়া নিয়ে এনএসইউআইয়ের একাংশের আপত্তি ছিল। তাঁদের বক্তব্য, কংগ্রেসের কর্মসূচিতে নিজেদের সংগঠনের নেতাদেরও সমান গুরুত্ব দেওয়া উচিত।

রাজনৈতিক সমীকরণের দিক থেকেও বিষয়টি তাৎপর্যপূর্ণ। কংগ্রেস ও বাম দলগুলি কেরলের মতো রাজ্যে পরস্পরের প্রতিদ্বন্দ্বী হলেও বিভিন্ন রাজনৈতিক ইস্যুতে একসঙ্গে কাজ করে। আইসার মূল সংগঠন সিপিআই(এমএল)-লিবারেশন ‘ইন্ডিয়া’ জোটের অংশ। দলের সাধারণ সম্পাদক দীপঙ্কর ভট্টাচার্যকে রাহুল গান্ধীর রাজনৈতিক আলোচনার পরিসরে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে দেখা হয় বলে রাজনৈতিক মহলে চর্চা রয়েছে।

তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচনগুলিতে এনএসইউআই ও আইসা সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। ফলে বৃহত্তর বিরোধী জোটে সহযোগিতা থাকলেও ছাত্র রাজনীতিতে দুই সংগঠনের মধ্যে প্রতিযোগিতা অব্যাহত। নেহা বোরাকে ঘিরে সাম্প্রতিক অসন্তোষ সেই দ্বন্দ্বকেই নতুন করে সামনে এনেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top