ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় ভারতের প্রস্তুতির প্রশংসা WMO-র, আগাম সতর্কবার্তা ও উদ্ধারকাজে অগ্রগতির স্বীকৃতি

ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় ভারতের প্রস্তুতির প্রশংসা WMO-র, আগাম সতর্কবার্তা ও উদ্ধারকাজে অগ্রগতির স্বীকৃতি

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram


নয়াদিল্লি: ঘূর্ণিঝড়ের মতো প্রাকৃতিক বিপর্যয় মোকাবিলায় ভারতের প্রস্তুতি এবং আগাম সতর্কবার্তা দেওয়ার ব্যবস্থার প্রশংসা করল বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (ওয়ার্ল্ড মেটিওরোলজিক্যাল অর্গানাইজেশন বা WMO)। দ্রুত ও নির্ভুল আবহাওয়ার পূর্বাভাসের মাধ্যমে কীভাবে হাজার হাজার মানুষের প্রাণ ও জীবিকা রক্ষা করা সম্ভব, তার উদাহরণ তৈরি করেছে ভারত। শুধু দেশের মধ্যেই নয়, বিপর্যয় মোকাবিলার ক্ষেত্রে বিশ্বের অন্যান্য দেশের কাছেও ভারত অনুকরণীয় হয়ে উঠছে বলে মন্তব্য করেছেন WMO-র মহাসচিব সেলেস্তে সাউলো।

তাঁর মতে, প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের আশঙ্কা তৈরি হলে সময়মতো সতর্কবার্তা পৌঁছে দেওয়া এবং সাধারণ মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে ভারতের অগ্রগতি উল্লেখযোগ্য। বিশেষ করে ঘূর্ণিঝড়ের মতো বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে আগাম প্রস্তুতির গুরুত্ব ভারতের সাম্প্রতিক পদক্ষেপে স্পষ্ট হয়েছে। আবহাওয়ার পূর্বাভাসকে কাজে লাগিয়ে প্রশাসন ও বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী কীভাবে দ্রুত পদক্ষেপ করতে পারে, তারও দৃষ্টান্ত তৈরি করেছে ভারত।

ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় ভারতের প্রশংসা WMO-র

সম্প্রতি বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া ঘূর্ণিঝড় মুরাসুকে কেন্দ্র করে অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে সতর্কতা জারি করা হয়। ঘূর্ণিঝড়টির প্রভাবে উপকূলবর্তী এলাকায় বৃষ্টিও শুরু হয়েছে। এর কয়েক দিন আগেই একই অঞ্চলে আছড়ে পড়েছিল আরও একটি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় অর্ণব। পরপর দুটি ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কায় স্বাভাবিকভাবেই উপকূলবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ ছড়ায়।

তবে পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রশাসনের তরফে আগাম প্রস্তুতি নেওয়া হয়। আবহাওয়ার পূর্বাভাসের ভিত্তিতে বিপজ্জনক এলাকাগুলিতে সতর্কবার্তা পৌঁছে দেওয়া হয়। পাশাপাশি বহু মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থাও করা হয়। ভারতের এই প্রস্তুতিকেই বিশেষভাবে প্রশংসা করেছেন WMO-র মহাসচিব।

তাঁর বক্তব্য, বিপর্যয় আছড়ে পড়ার পর উদ্ধারকাজ শুরু করার পাশাপাশি বিপর্যয়ের আগেই মানুষকে নিরাপদ স্থানে পৌঁছে দেওয়াও সমান গুরুত্বপূর্ণ। ভারতের ক্ষেত্রে এই দুই দিকেই উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে। অর্থাৎ, শুধু বিপর্যয়ের পর পরিস্থিতি সামাল দেওয়াই নয়, আগাম সতর্কতা ও পরিকল্পনার মাধ্যমে ক্ষয়ক্ষতি কমানোর ক্ষেত্রেও ভারতের ভূমিকা আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাচ্ছে।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top