শক্তি বাড়িয়ে ‘অতি তীব্র’ ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার আশঙ্কা ‘অর্ণব’! অন্ধ্রপ্রদেশের ৭ জেলায় হাই অ্যালার্ট

শক্তি বাড়িয়ে ‘অতি তীব্র’ ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার আশঙ্কা ‘অর্ণব’! অন্ধ্রপ্রদেশের ৭ জেলায় হাই অ্যালার্ট

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram



অন্ধ্রপ্রদেশ

পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ (Cyclone Arnab) আরও শক্তিশালী হয়ে উঠেছে বলে আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়টি ইতিমধ্যেই ‘তীব্র ঘূর্ণিঝড়’-এর রূপ নিয়েছে। আগামী ১২ ঘণ্টার মধ্যে এটি ‘অতি তীব্র ঘূর্ণিঝড়ে’ পরিণত হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় অন্ধ্রপ্রদেশের সাতটি জেলায় জারি করা হয়েছে হাই অ্যালার্ট।

ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে অন্ধ্রপ্রদেশ ও ওড়িশার পাশাপাশি আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ এবং উত্তরপ্রদেশেও আবহাওয়ার পরিবর্তনের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২৮ অক্টোবর দুপুরের আগেই অন্ধ্রপ্রদেশ ও ইয়ানাম উপকূলের কাছে বাপাতলা ও বিশাখাপত্তনমের মধ্যবর্তী এলাকায় ঘূর্ণিঝড়টির স্থলভাগে প্রবেশের সম্ভাবনা রয়েছে। ল্যান্ডফলের সময় ঝড়ের স্থায়ী গতিবেগ ঘণ্টায় ১১৫ থেকে ১২৫ কিলোমিটার থাকতে পারে। দমকা হাওয়ার সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১৪০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছতে পারে বলে পূর্বাভাস।

উদ্ধারকাজে এনডিআরএফ, এসডিআরএফ ও দমকল প্রস্তুত

ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় অন্ধ্রপ্রদেশের ১১টি জেলায় এনডিআরএফের সাতটি এবং এসডিআরএফের আটটি দল মোতায়েন করা হয়েছে। এনটিআর ও বিশাখাপত্তনম জেলায় অতিরিক্ত উদ্ধারকারী দলকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। মেরিন পুলিশ, ভারতীয় নৌসেনা ও কোস্টগার্ডের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করবে উদ্ধারকারী দলগুলি।

জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত উদ্ধারকাজ চালানোর জন্য অন্ধ্রপ্রদেশ দমকল বিভাগও প্রস্তুতি নিয়েছে। প্রশাসনের তরফে প্রস্তুত রাখা হয়েছে ১১৫টি গাছ কাটার বিশেষ দল, ১৩টি লাইফবোট উদ্ধারকারী দল, ৭৬টি আসকা হাই-পাওয়ার জরুরি আলো, ৮৫৩টি লাইফ বয়া এবং ১,৩২৮টি লাইফ জ্যাকেট।

ত্রাণ ও উদ্ধারকাজে ২৭ কোটি টাকা বরাদ্দ

ঘূর্ণিঝড়ের মোকাবিলায় সোমবার বিশেষ তৎপরতা শুরু করেছে অন্ধ্রপ্রদেশ প্রশাসন। মুখ্যমন্ত্রী এন চন্দ্রবাবু নাইডু রাজ্যের ২০টি জেলায় ত্রাণ ও উদ্ধারকাজের জন্য ২৭ কোটি টাকা বরাদ্দ ঘোষণা করেছেন বলে জানানো হয়েছে।

এই অর্থ বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া, পুনর্বাসন, পানীয় জল ও খাবারের ব্যবস্থা, স্বাস্থ্য শিবির পরিচালনা, পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তাঘাট মেরামতের কাজে ব্যবহার করা হবে।

ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কায় উপকূলবর্তী এলাকায় সতর্কতা জারি করা হয়েছে। পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে প্রশাসন। সম্ভাব্য বিপর্যয় মোকাবিলায় উদ্ধারকারী দল ও জরুরি পরিষেবাগুলিকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top