রেজিনগর
নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণের পর দুই কেন্দ্রের ফলাফল নিয়ে নিজের হিসাব জানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর দাবি, রেজিনগরের সংখ্যালঘু অংশের মহিলা ও যুবদের একাংশ বিজেপিকে ভোট দিয়েছেন। একই সঙ্গে দুই কেন্দ্রেই তৃণমূল এবং বামেরা বিশেষ প্রভাব ফেলতে পারেনি বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।
শুভেন্দুর দাবি, রেজিনগরে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক পরিযায়ী শ্রমিক ভোট দিতে আসেননি। তাঁর বক্তব্য, “সংখ্যালঘু অংশের মহিলা এবং যুবদের ভোট আমরা পেয়েছি।” তবে সংখ্যালঘু প্রবীণ ভোটারদের ক্ষেত্রে বিজেপি একই ধরনের সমর্থন পায়নি বলেও জানিয়েছেন তিনি।
মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, সংখ্যালঘু প্রবীণদের একাংশ হুমায়ুন কবীরের ছেলে অথবা কংগ্রেস প্রার্থীকে ভোট দিয়েছেন। একইসঙ্গে রেজিনগরে তৃণমূলের কার্যত কোনও প্রভাব ছিল না এবং বামেদের অবস্থাও একই বলে দাবি করেছেন তিনি।
নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে বাম প্রার্থীদের ভোট নিয়েও নিজের পূর্বাভাস জানিয়েছেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, নন্দীগ্রামে সিপিআই প্রার্থী খুব কম ভোট পেতে পারেন এবং রেজিনগরে সিপিএম প্রার্থীর ভোট নোটার নীচেও চলে যেতে পারে। এগুলি অবশ্য মুখ্যমন্ত্রীর রাজনৈতিক দাবি ও অনুমান; ভোটের ফল প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত এর সত্যতা যাচাই করা সম্ভব নয়।
উপনির্বাচনের আগে দুই কেন্দ্রেই সংখ্যালঘু ভোটকে গুরুত্বপূর্ণ করে প্রচার চালিয়েছিল বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। রেজিনগরে প্রচারে শুভেন্দুও উন্নয়ন ও সরকারের সঙ্গে কাজ করার বিষয়টি সামনে রেখেছিলেন।
এখন নজর ৯ অক্টোবরের ফলাফলের দিকে। সেদিনই নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর—দুই কেন্দ্রের ভোটের ফল প্রকাশ হবে। তার পরেই স্পষ্ট হবে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের দাবির সঙ্গে বাস্তব ভোটের ফল কতটা মেলে।



















