সিঙ্গুরে বুদ্ধদেবের শিল্পনীতিকে ইতিবাচক বললেন শুভেন্দু, ‘শিল্পায়নে পদক্ষেপ করেছিলেন’, জমি অধিগ্রহণ নিয়ে তুললেন প্রশ্ন

সিঙ্গুরে বুদ্ধদেবের শিল্পনীতিকে ইতিবাচক বললেন শুভেন্দু, ‘শিল্পায়নে পদক্ষেপ করেছিলেন’, জমি অধিগ্রহণ নিয়ে তুললেন প্রশ্ন

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram


কলকাতা

সিঙ্গুরে জমি অধিগ্রহণকে ঘিরে বাম আমলের শেষ পর্বের নীতির সমালোচনা করলেও তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের শিল্পায়নের উদ্যোগকে ইতিবাচক বলে মনে করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বাংলায় দীর্ঘ সময় শিল্পক্ষেত্রে স্থবিরতার পর বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যই রাজ্যে শিল্প ফেরানোর জন্য পদক্ষেপ করেছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

শুভেন্দুর বক্তব্যে উঠে এসেছে সিঙ্গুরের জমি অধিগ্রহণ এবং রাজ্যে শিল্পায়নের বৃহত্তর প্রশ্ন। তাঁর দাবি, শিল্পের জন্য জমি নেওয়ার ক্ষেত্রে বাম সরকারের নীতির সঙ্গে তাঁর একমত না হলেও বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের শিল্পবান্ধব ভাবমূর্তি তৈরির চেষ্টা ছিল গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর মতে, দীর্ঘদিনের শিল্প-অচলাবস্থার পর তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী শিল্পের প্রসারে কিছুটা ইতিবাচক পদক্ষেপ করেছিলেন।

সিঙ্গুরে টাটা মোটরসের প্রকল্পকে ঘিরে তৎকালীন সরকারের জমি অধিগ্রহণ নিয়ে তীব্র রাজনৈতিক আন্দোলন হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত ২০০৮ সালে টাটা মোটরস সিঙ্গুর থেকে ন্যানো প্রকল্প সরিয়ে নেয়। এই পর্বকে বাংলার শিল্পায়নের ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে দেখা হয়।

বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্যে তাই একদিকে যেমন বাম আমলের জমি অধিগ্রহণ নীতির সমালোচনা রয়েছে, অন্যদিকে তেমনই বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের শিল্পায়নের উদ্যোগের প্রশংসাও রয়েছে। শিল্পের জন্য জমি জোগাড় এবং বিনিয়োগ টানার ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে রাজ্যের নীতি কী হবে, সেই প্রশ্নও এই মন্তব্যের পর নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

ইতিমধ্যেই শিল্পনীতির ক্ষেত্রে জমি নিয়ে নতুন ভাবনার কথা জানিয়েছে রাজ্য সরকার। বর্তমান সরকারের বক্তব্য অনুযায়ী, শিল্পের প্রয়োজনে সরাসরি জমি কেনার উপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে এবং বড় বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সিঙ্গল-উইন্ডো ব্যবস্থার মাধ্যমে দ্রুত অনুমোদনের ব্যবস্থা করা হবে।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top