বাফটার মঞ্চে ইতিহাস, ‘বুং’-এর জয়ে গর্বিত ভারত

বাফটার মঞ্চে ইতিহাস, ‘বুং’-এর জয়ে গর্বিত ভারত

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram


বিনোদন – ভারতীয় সিনেমার জন্য গর্বের মুহূর্ত। আন্তর্জাতিক মঞ্চে আবারও উজ্জ্বল হয়ে উঠল দেশের সৃজনশীল শক্তি। লন্ডনে অনুষ্ঠিত British Academy Film Awards-এর আসরে ‘বেস্ট চিলড্রেন অ্যান্ড ফ্যামিলি ফিল্ম’ বিভাগে পুরস্কার জিতে নজির গড়ল ফারহান আখতার প্রযোজিত মণিপুরী ছবি Bung। এই ঐতিহাসিক সাফল্যের পর ছবির গোটা টিমকে অভিনন্দনে ভরিয়ে দিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী Mamata Banerjee থেকে প্রধানমন্ত্রী Narendra Modi।
২৩ ফেব্রুয়ারি লন্ডনে আয়োজিত বাফটা পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বলিউড ও আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র জগতের বহু তারকার উপস্থিতিতে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়। মেগা বাজেটের আন্তর্জাতিক ছবিগুলিকে পিছনে ফেলে শান্ত, সংবেদনশীল গল্পের উপর নির্মিত ‘বুং’-এর জয় ভারতীয় সিনেমার জন্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন চলচ্চিত্র মহল।
সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম X-এ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লেখেন, বাফটার মঞ্চে মণিপুরী ছবির এই সাফল্যে তিনি অভিভূত। তিনি উল্লেখ করেন, শিশু ও পরিবারভিত্তিক বিভাগে এই সম্মান অর্জন গোটা দেশের জন্য গর্বের এবং বিশ্বমঞ্চে ভারতীয় সিনেমার মর্যাদা আরও এক ধাপ উঁচুতে উঠল।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও ছবির সাফল্যে শুভেচ্ছা জানান। তাঁর বক্তব্য, ‘বুং’-এর এই অর্জন শুধু একটি সিনেমার জয় নয়, বরং ভারতের সৃজনশীল প্রতিভার বিশ্বস্বীকৃতি। বিশেষ করে মণিপুরের মানুষের জন্য এটি আনন্দ ও গর্বের মুহূর্ত বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
ছবিটি পরিচালনা করেছেন লক্ষ্মীপ্রিয়া দেবী। পুরস্কার গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রযোজক Farhan Akhtar, তাঁর স্ত্রী শিবানি দান্ডেকর, পরিচালক লক্ষ্মীপ্রিয়া দেবী এবং প্রযোজক Ritesh Sidhwani। সীমিত বাজেটের এই ছবি আন্তর্জাতিক মঞ্চে বড় বাজেটের প্রতিদ্বন্দ্বীদের হারিয়ে জয় ছিনিয়ে নেয়।
মণিপুরের এক প্রত্যন্ত গ্রামের ছোট্ট ছেলে বুংকে কেন্দ্র করে ছবির গল্প আবর্তিত হয়েছে। মায়ের জন্মদিনে হারিয়ে যাওয়া বাবাকে ফিরিয়ে এনে তাঁকে চমকে দেওয়ার স্বপ্ন দেখে সে। পরিবারকে আবার একত্রিত করার সেই শিশুসুলভ ইচ্ছা, আবেগ এবং আশার যাত্রাই ছবির মূল সুর—যা বিশ্বজুড়ে দর্শকদের হৃদয় ছুঁয়েছে।
পুরস্কার গ্রহণের সময় আবেগঘন বক্তৃতায় পরিচালক লক্ষ্মীপ্রিয়া দেবী মণিপুরে শান্তি ফেরার প্রার্থনা জানান। তিনি বলেন, শিশুরা যেন আবার স্বাভাবিক শৈশব ফিরে পায়—এই স্বীকৃতি তাঁদের কাছে শুধু একটি পুরস্কার নয়, বরং আশার আলো।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top