দেশ – মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত (Middle East tension) বাড়ার প্রভাব পড়ছে বিশ্বজুড়ে। ইরান Strait of Hormuz বন্ধ করার পর তেল ও এলপিজি বোঝাই জাহাজ চলাচলে সমস্যা তৈরি হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। এর ফলে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হলেও কেন্দ্র জানিয়েছে, দেশে এলপিজি উৎপাদন ইতিমধ্যেই ৩০ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়েছে।
কেন্দ্রীয় তেল মন্ত্রক Ministry of Petroleum and Natural Gas জানিয়েছে, গৃহস্থালির জন্য এলপিজি সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। মন্ত্রকের যুগ্মসচিব Sujata Sharma বলেন, রিফাইনারিগুলিতে উৎপাদন বাড়ানো হয়েছে যাতে বাজারে গ্যাসের ঘাটতি না হয়। অতিরিক্ত উৎপাদনের বড় অংশ গৃহস্থালির চাহিদা পূরণে ব্যবহৃত হচ্ছে।
তবে বেঙ্গালুরু, মুম্বই ও পুণে-সহ কয়েকটি শহরে রেস্তরাঁ ও ছোট খাবারের দোকানগুলো বাণিজ্যিক এলপিজি সিলিন্ডারের অস্থায়ী ঘাটতির কথা জানিয়েছে। এতে তাদের ব্যবসা নিয়ে কিছুটা অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে বলে দাবি।
এই পরিস্থিতিতে এলপিজি বুকিংয়ের ব্যবধান পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী Hardeep Singh Puri সংসদে জানিয়েছেন, শহরাঞ্চলে গ্যাস বুকিংয়ের ন্যূনতম ব্যবধান ২১ দিন থেকে বাড়িয়ে ২৫ দিন করা হয়েছে। গ্রামাঞ্চল ও দুর্গম এলাকায় এই ব্যবধান ২৫ দিন থেকে বাড়িয়ে ৪৫ দিন করা হয়েছে।
অন্যদিকে, কিছুটা স্বস্তির খবরও এসেছে। ইরান দুটি ভারতীয় পতাকাবাহী এলপিজি ট্যাঙ্কারকে হরমুজ প্রণালী পার হওয়ার অনুমতি দিয়েছে বলে জানা গেছে। প্রধানমন্ত্রী Narendra Modi এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট Masoud Pezeshkian-এর মধ্যে আলোচনার পর এই সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে সূত্রের খবর।
সরকার নতুন নির্দেশিকায় গ্যাস সরবরাহকে চারটি অগ্রাধিকার বিভাগে ভাগ করেছে। গৃহস্থালির পাইপ গ্যাস, সিএনজি, এলপিজি উৎপাদন ইউনিট ও পাইপলাইন পরিষেবাকে আগের ছয় মাসের গড় চাহিদার ১০০ শতাংশ গ্যাস দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। উৎপাদন ও চা শিল্পসহ অন্যান্য ক্ষেত্রকে গড় চাহিদার প্রায় ৮০ শতাংশ গ্যাস সরবরাহের পরিকল্পনা রয়েছে।
সব মিলিয়ে পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি অনিশ্চিত থাকলেও সরকার দাবি করছে, অভ্যন্তরীণ জ্বালানি সরবরাহ স্থিতিশীল রাখতে একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।




















